ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল হক (মঞ্জু) আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির নির্বাচন পর্যবেক্ষণ সমন্বয় উপ-কমিটির সদস্য নির্বাচিত

আসনভিত্তিক নির্বাচন পরিচালনা কমিটি করবে আ.লীগ। 

ডেস্ক রিপোর্ট।।

নির্জন সৈকতের সন্ধানে – কুতুবদিয়া ভ্রমন।

ভ্রমণ ডেস্ক।।

যারা একটু নিরিবিলিতে সমুদ্রপাড়ে সময় কাটাতে চান মূলত তাদের জন্যই কুতুবদিয়া সমুদ্র সৈকত।
সৈকত বলতে আমরা বুঝি কক্সবাজার, সেন্ট মার্টিন বা কুয়াকাটাকে। এগুলোর বাইরে টো টো কোম্পানী এবার ট্রিপ করবে কুতুবদিয়াতে। কুতুবদিয়া কক্সবাজারের পেকুয়াতে অবস্থিত একটি দ্বিপ। এই দ্বীপের আয়তন ৩৬ বর্গ মাইল। বৈশিষ্টের দিক দিয়ে এই দ্বীপে রয়েছে ১৮ কিলোমিটার নির্জন সৈকত, বাংলাদেশের একমাত্র উইন্ডমিল প্রজেক্ট, বাতিঘর ও একটি মাজার।

ট্যুর প্লান
১।
রাতে নন এসি চেয়ার কোচ বাসে চট্টগ্রামে উদ্দেশ্যে যাত্রা।

সকাল ৬ টায় চট্টগ্রাম পৌছে সকালের খাবার খেয়ে বাসে মগনাম ঘাটের উদ্দেশ্যে রওনা দিব। ৩ ঘন্টা পর মগনাম ঘাটে পৌছে ১১ টার দিকে ট্রলারে করে কুতুবদিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিব। ট্রলারে করে পৌছাতে ২০ মিনিট সময় লাগবে। সমুদ্রবিলাস হোটেলে পৌছে রুমে চেক ইন। হোটেলের রুম থেকে সমুদ্রের দূরত্ব ১ মিনিট। রুমে ব্যাগ রেখে চলে যাব সমুদ্রে দাপাদাপি করতে। দুপুরের খাবার খেয়ে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে ৪ টার সময় রিজার্ভ গাড়ীতে করে চলে যাবো উইন্ডমিল প্রজেক্ট এলাকাতে। উইন্ডমিলের পাশের সৈকতে গ্যালারীর মত পাথরের বোল্ডার। এখানে বসে সূযাস্ত দেখবো। সূযাস্তের পর গাড়ীতে করে রওনা দিব দরবার ঘাট। সমুদ্রের আধা কিলোমিটার ভিতরে ঘাটটি অবস্থিত। সেখানে রাতে চানাচুর মুড়ি খাওয়া দাওয়া এবং স্থানীয় শিল্পীদের সাথে গান বাজনার আসর। রাত ৯টায় রতের খাবার এরপর হোটেলে ফিরে মন চাইলে ঘুম না চাইলে সমুদ্রবিলাস।

৩।
৮ টায় সকালের নাস্তা। নাস্তা শেষে জীপে করে চলে যাবো বাতিঘর দেখতে। সেখান থেকে ফিরে এসে দুপুরের খাবার খেয়ে ট্রলারে করে কুতুবদিয়া চ্যানেল পাড় হয়ে বাসে করে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দিব। তিন ঘন্টা বাস জার্নি শেষে রাতের খাবার খেয়ে ঢাকার বাসে করে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা।

৪।
সকাল ৬ টায় ঢাকা পৌছে যাবো।

# হোটেলে একরুমে ৩-৪ জনের থাকার ব্যবস্থা। কাপলদের জন্য আলাদা রুমের ব্যবস্থা আছে।
# সকালে পরটা, ডিম, সবজী
# দুপুরে মাংস, ভর্তা, সবজী, ডাল, ভাত
# রাতে মাছ অথবা মাংস, ভর্তা, সবজী, ডাল ভাত।
# হোটেলে সৌর বিদ্যুতের মাধ্যমে লাইট জ্বলে। মোবাইল চার্জের জন্য পাওয়ার ব্যাংক নিতে হবে। রাতে কিছুক্ষণের জন্য জেনারেটর চলবে।
# ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম নন এসি চেয়ার কোচে যাত্রা। চট্টগ্রাম থেকে কুতুবদিয়া (মগনামঘাট) এস আলম মিনি বাসে যাত্রা।

 

বাকেরগঞ্জের দুই দলের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের জনপ্রিয়তায় এগিয়ে ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল হক মঞ্জু

বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধি: আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে আওয়ামীলীগ-বিএনপির মনোনয়ন পেতে একাধিক প্রার্থী দৌড়ঝাঁপ শুরু করলেও প্রতিদ্বন্দ্বী নেই জাপার। নির্বাচনকে সামনে রেখে বাকেরগঞ্জ-৬ আসনটি নিয়ে দলীয় নেতা-কর্মীসহ সাধারণ মানুষ রাজনৈতিক হিসেব-নিকেশ শুরু করে দিয়েছেন। আওয়ামীলীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন পেতে মনোনয়ন প্রত্যাশীরা ইতিমধ্যেই দৌড়ঝাঁপ শুরু করে দিয়েছেন। শুভেচ্ছা পোস্টার ও লিফলেটের আড়ালে শুরু করেছেন প্রচার-প্রচারণা ও লবিং। নিজের অবস্থান শক্তিশালী করতে গঠন করেছন তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কমিটি। চালিয়ে যাচ্ছেন কর্মী সমাবেশ ও গণসংযোগ।

বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে আওয়ামীলীগের মনোনয়নে জনমত জরীপে সকলকে ছাপিয়ে এগিয়ে ইঞ্জি: মঞ্জুরুল হক

বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন বুয়েট ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি, ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সহ-সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল হক মঞ্জু, দলের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য মেজর জেনারেল আবদুল হাফিজ মল্লিক (অব.), উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, উপজেলা চেয়ারম্যান শামসুল হক চুন্নু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র লোকমান হোসেন ডাকুয়া, সাবেক এমপি জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আবদুর রশীদ খান, প্রয়াত সাবেক এমপি মাসুদ রেজার সহধর্মিণী জেলা পরিষদ সদস্য আইরিন রেজা ওএ আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন সাবেক এমপি উপজেলা বিএনপি সভাপতি আবুল হোসেন খান, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য শহীদ হাসান, বিএনপির সাবেক বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম রাজন, ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) যুবদলের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা শাহীন, উপজেলা বিএনপির সদস্য আবদুস শুকুর বাচ্চু নেগাবান ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আনোয়ার হোসেন (অব.)।

জোটবদ্ধভাবে নির্বাচন হলে এ আসনে মনোনয়ন চাইবেন জাতীয় পার্টির (এরশাদ) প্রেসিডিয়াম সদস্য বতর্মান এমপি নাসরিন জাহান রত্না আমিন। জাতীয় পার্টি একক নির্বাচন করলেও এ আসনে প্রার্থী হবেন তিনি। এ ছাড়া ১৪ দলীয় জোটভুক্ত নির্বাচন হলে এ আসনে জোটের মনোনয়ন চাইবেন কেন্দ্রীয় জাসদ নেতা মো. মহসীন।

এ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম নাসরিন জাহান রতনা এমপি গত ৮ বছরে এলাকায় বেশ কিছু উন্নয়ন করেছেন। তবে অবহেলিত এই জনপদের সার্বিক উন্নয়ন হয়নি। গত ৯ম ও ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসন থেকে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পান উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য মেজর জেনারেল অবঃ আবদুল হাফিজ মল্লিক। কিন্তু মহাজোটের আসন ভাগাভাগির প্রশ্নে এ আসনটি জাতীয় পার্টিকে ছেড়ে দিতে হয়। সাবেক এমপি মরহুম আলহাজ্ব সৈয়দ মাসুদ রেজার মৃত্যুর পর এ আসনে আওয়ামীলীগের কেউ এমপি নির্বাচিত হতে পারেনি।

২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনে এ আসন থেকে এমপি নির্বাচিত হন চার দলীয় জোট প্রার্থী আবুল হোসেন খান। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম নাসরিন জাহান রতনা এমপি এ আসনে জাতীয় পার্টির একমাত্র এমপি প্রার্থী। এ আসনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য মেজর জেনারেল অবঃ আবদুল হাফিজ মল্লিক, যদিও বয়সের ভারে অনেকটাই নিস্তেজ তিনি, দলীয় নেতা কর্মীদের সঙ্গেও তেমন আত্মরিকতা নেই এই প্রবীণ নেতা ও আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম ও সাবেক সেনা কর্তার!

তবে প্রজন্মের চিরতরুণ বলে চেনা বুয়েট ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি, আওয়ামীলীগ কেন্দ্রিয় উপ-কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক ও ইঞ্জিনিয়ারিং ইউস্টিটিউটের সহ-সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল হক মঞ্জু দুই দেলের মাঝে জনপ্রিয়তায় সবার শীর্ষে রয়েছেন বলে অনুসন্ধানে জানা গেছে, তার সাথে গত কয়েক বছর ধরে উপজেলা আওয়ামীলীগ তৃনমূল থেকে সকল স্থরের নেতাকর্মীদের সাথে বেশ সখ্যতা এবং জনগণ ও তার আচরনে আকৃষ্ট। বিগত কয়েক বছরে ইন্জিনিয়ার মঞ্জুরুল হক উপজেলার সকল শ্রেণীর জনমানুষ সহ সকল এলাকায় বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মিয় অনুষ্ঠানে আওয়ামীলীগে এক মাত্র প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিথ ছিলেন!

উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি শামসুল আলম চুন্নু, যিনি দানবীর হিসেবে জন মানুষের কাছে পরিচিত ছিলেন, তিনি তার বিতর্কিত কিছু কর্মকান্ডের কারণে দলীয় নেতাদের কাছে চরম অপ্রিয় হিসেবে এখন পরিচিত। জেলা পরিষদের সদস্য প্রয়াত এমপি আলহাজ্ব সৈয়দ মাসুদ রেজার সহধর্মীনি আইরিন রেজা, শিল্পপতি ও আওয়ামীলীগ নেতা ফারুক আলম তালুকদার ও বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ডক্টর মোয়াজ্জেম হোসেন মাতুব্বর আমিনুল।

বিএনপির সম্ভ্যব্য এমপি প্রার্থী হিসেবে প্রচারনা চালাচ্ছেন সাবেক এমপি ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন খান, বিগত দিনে তার অনেক দুর্নীতি ও বিতর্কিত অনেক কাজের জন্য এখন মাঠে অনেকটাই জন বিচ্ছিন্ন, দলীয় নেতাকর্মী দের নিকট ও তিনি অপ্রিয় হিসেবে খ্যাত। উপজেলা বিএনপি নেতা, বিশিষ্ট শিল্পপতি ও দানবীর আবদুস শুকুর বাচ্চু নেগাবান, কেন্দ্রীয় যুবদলের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক লায়ন নুরুল ইসলাম খান মাসুদ ও মুক্তিযোদ্ধ প্রজন্ম দলের সাধারণ সম্পাদক কেএম কামরুজ্জামান নান্নু।

সব দলের প্রার্থীরা তাদের মনোনয়ন বাগিয়ে নিতে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয়ভাবে শুরু করেছেন ব্যাপক লবিং-তদবীর। উপজেলাবাসী দেখার অপেক্ষায় আছেন শেষ মুহুর্তে বাকেরগঞ্জ-৬ আসনে কে হবেন নৌকা-লাঙ্গল-ধানের শীষের প্রার্থী।

 

 

বাকেরগঞ্জে আওয়ামীলীগের বয়সের ভারে নুয়ে পরা নেতৃত্বের মাঝে উজ্জিবীত তরুণ নেতৃত্বদানে ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জু ‘ই একমাত্র ভরসা।

নিজস্ব প্রিতেবেদক, বরিশাল

বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে আওয়ামীলীগের মনোনয়নে জনমত জরীপে সকলকে ছাপিয়ে এগিয়ে ইঞ্জি: মঞ্জুরুল হক  (মঞ্জু ) ।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে আওয়ামীলীগ-বিএনপির মনোনয়ন পেতে একাধিক প্রার্থী দৌড়ঝাঁপ শুরু করলেও প্রতিদ্বন্দ্বী নেই জাপার কোন প্রার্থী। নির্বাচনকে সামনে রেখে বাকেরগঞ্জ-৬ আসনটি নিয়ে দলীয় নেতা-কর্মীসহ সাধারণ মানুষ রাজনৈতিক হিসেব-নিকেশ শুরু করে দিয়েছেন। আওয়ামীলীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন পেতে মনোনয়ন প্রত্যাশীরা ইতিমধ্যেই দৌড়ঝাঁপ শুরু করে দিয়েছেন।বিগত ১ বছর ধরে শুভেচ্ছা পোস্টার ও লিফলেটের আড়ালে শুরু করেছেন প্রচার-প্রচারণা ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে লবিং। নিজের অবস্থান শক্তিশালী করতে গঠন করেছন তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কমিটি। চালিয়ে যাচ্ছেন কর্মী সমাবেশ ও গণসংযোগ।তবে বরিশাল -৬ আসনে আওয়ামীলীগের জন সম্পৃক্ত বর্তমান নেতার খুব অভাব বলে মনে করেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক গন।

 

এ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম নাসরিন জাহান রতনা এমপি গত ৯ বছরে এলাকায় ঘোষনার উন্নয়ন করেছেন বটে আসলে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের সাথে তার যোগাযোগ শুন্যের কোটায়। অবহেলিত এই জনপদের কোন সার্বিক উন্নয়ন হয়নি। গত ৯ম ও ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসন থেকে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পান উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য মেজর জেনারেল অবঃ আবদুল হাফিজ মল্লিক। কিন্তু মহাজোটের আসন ভাগাভাগির প্রশ্নে এ আসনটি জাতীয় পার্টিকে ছেড়ে দিতে হয়। সাবেক এমপি মরহুম আলহাজ্ব সৈয়দ মাসুদ রেজার মৃত্যুর পর এ আসনে আওয়ামীলীগের কেউ এমপি নির্বাচিত হতে পারেনি।
ভোটবিহীন নির্বাচনের প্রার্থী ও বিতর্কিত ব্যক্তিকে নেতা হিসেবে স্থানীয় জনগন চায়না এটা নেতাকর্মীদের বক্তব্যে স্পষ্ট।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির যেহেতু একক ভাবে নির্বাচন করবে সেহেতু আওয়ামীলীগের প্রার্থী নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে জটিলতা।দলের প্রসিডিয়াম সদস্য অবঃ মেজর জেনারেল হাফেজ মল্লিককে অনেকেই ভেবেছিলেন নৌকার কাণ্ডারি হিসেবে বাস্তবে দলের তৃনমূল নেতাকর্মীদের সাথে তার যোগাযোগ নেই বললেই চলে এমনটাই বলেছেন বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের নেতৃস্থানীয় নেতারা।

এছারাও কোন কোন মহল মনে করেন মেজর জেনারেল অবঃ আবদুল হাফিজ মল্লিক, বয়সের ভারে অনেকটাই নিস্তেজ তিনি, দলীয় নেতা কর্মীদের সঙ্গেও তেমন আত্মরিকতা নেই এই প্রবীণ নেতা ও আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম ও সাবেক সেনা কর্তার।

স্থানীয় জনগন ও নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলে সার্বিক খোজ খবরে জানা গেছে- বরিশালে রাজনীতির অঙ্গনে জনপ্রিয় এক ‘আলোচিত’ নাম মুজিব অন্তঃ প্রাণ ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল হক মঞ্জু। এখানকার রাজনীতির আকাশে জ্বল জ্বল করে জ্বলে থাকা ‘তারকা’ এ নেতা স্বল্প সময়ের মধ্যে তার মেধা,মনন,প্রজ্ঞা ও রাজনৈতিক দূরদর্শিতা দিয়ে শুধু বাকেরগঞ্জ নয় গোটা বরিশালে আওয়ামী রাজনীতির ‘আইকনে’ পরিণত হয়েছেন। তিনি একজন উচ্চ শিক্ষিত  প্রকৌশলী, দানশীল ব্যক্তিত্ব,শিক্ষানুরাগী,সমাজসেবী ও সাদা মনের মানুষ হিসেবে সর্বমহলে সুপরিচিত ও সুখ্যাতি অর্জন করেছেন। বর্তমানে আওয়ামীলীগের হাইকমান্ড, গোয়েন্দা তালিকা ও জনগনের জনমত জরীপে সব চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল হক মঞ্জু ।

ছবিঃ ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল হক মঞ্জু

দলের মধ্যে কেউ কেউ বলে থাকেন বাকেরগঞ্জে আওয়ামীলীগের বয়সের ভারে নুয়ে পরা নেতৃত্বের মাঝে উজ্জিবীত নেতৃত্বদানে মঞ্জরুল হকই একমাত্র ভরসা।

সেই হিসেবে বর্তমানে সাংগঠনিক ভাবে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের সাথে সব চেয়ে বেশী সম্পর্ক রয়েছে বুয়েটের ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি, বর্তমানে তিনি ভাইস প্রেসিডেন্ট ,আইইবি, আওয়ামিলিগ  কেন্দ্রিয় উপ-কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক ও ইঞ্জিনিয়ারিং ইউস্টিটিউটের সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল হক মঞ্জু’র সাথে।নিতি নিয়মিত এলাকার সকল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থেকে দলকে মনোবল যুগিয়েছেন বিগত কয়েক বছর ধরে,আগামী সংসদ নির্বাচন নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সেরা ফুল বেছে নেওয়ার বক্তব্যের সাথে মিলিয়ে দেখলে বাকেরগঞ্জের সব চেয়ে ক্লিন ইমেজের প্রার্থী মঞ্জুরুল ইসলাম।

 

তিনি বড় দুই দেলের মাঝে জনপ্রিয়তায় দলমত নির্বেশেষে জনপ্রিয়তায় সকল প্রার্থীর শীর্ষে রয়েছেন বলে স্হানীয়দের মাঝে জরীপে জানা গেছে, তার সাথে গত কয়েক বছর ধরে উপজেলা আওয়ামীলীগ তৃনমূল থেকে সকল স্থরের নেতাকর্মীদের সাথে বেশ সখ্যতা এবং জনগণ ও তার আচরনে আকৃষ্ট। বিগত কয়েক বছরে ইন্জিনিয়ার মঞ্জুরুল হক উপজেলার সকল শ্রেণীর জনমানুষ সহ সকল এলাকায় বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মিয় অনুষ্ঠানে আওয়ামীলীগে এক মাত্র প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিথ ছিলেন । 

উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি শামসুল আলম চুন্নু, যিনি দানবীর হিসেবে জন মানুষের কাছে পরিচিত ছিলেন, তিনি তার বিতর্কিত কিছু কর্মকান্ডের কারণে দলীয় নেতাদের কাছে চরম অপ্রিয় হিসেবে এখন পরিচিত।

এছারাও জেলা পরিষদের সদস্য প্রয়াত এমপি আলহাজ্ব সৈয়দ মাসুদ রেজার সহধর্মীনি আইরিন রেজা, শিল্পপতি ও আওয়ামীলীগ নেতা ফারুক আলম তালুকদার ও বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ডক্টর মোয়াজ্জেম হোসেন মাতুব্বর আমিনুল ও মনোনয়ন প্রত্যাশী বলে জানা গেছে।

সব দলের প্রার্থীরা তাদের মনোনয়ন বাগিয়ে নিতে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয়ভাবে শুরু করেছেন ব্যাপক লবিং-তদবীর।

এই আসনের জনগন দলমত নির্বিশেষে সাবেক বুয়েট ছাত্রলীগ নেতা ও দেশের ইন্জিনিয়ারদের কন্ঠস্বর সদানন্দময়ী ও সদালাপী মন্জুরুল ইসলামকেই দেখার অপেক্ষায় আছেন শেষ মুহুর্তে বাকেরগঞ্জ উপজেলার নৌকার মাঝি হিসেবে।

ছাত্রনেতা মইন খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের কেন্দ্রীয় সদস্য নির্বাচিত, জেলাবাসীর অভিনন্দন

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ককসবাজার জেলা শাখার উপ ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক পরিচ্ছন্ন প্রতিভাবান ছাত্রনেতা মইন উদ্দীন জনিকে খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় অাহবায়ক কমিঠির সদস্য নির্বাচিত করায় অভিনন্দন জানিয়েছে ককসবাজারের মুক্তিযোদ্ধের স্বপক্ষের সকল রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সচেতন মহল ও জেলাবাসী

তিনি রাজনীতির পাশাপাশি একজন মেধাবী ছাত্রনেতা, সমাজ সংস্কারক, সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী।

মইন উদ্দীন জনি বলেন- অামাকে খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ এর কেন্দ্রীয় অাহবায়ক কমিটির সদস্য নির্বাচিত করায় অামি ধন্যবাদ জানাতে চাই অাহবায়ক প্রিয় ভাই মো: শহীদুল ইসলাম ও সদস্য সচিব কাজী মাহতাব উদ্দীন তৌফিক ভাইকে।

তিনি জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা বিনির্মাণে সারা বাংলার সকল মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের সমন্নয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে দেশের উন্নয়নে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি তিনি সমৃদ্ধশীল বাংলাদেশ গঠনে কাজ করার নিমিত্তে সকলের দোয়া কামনা করেন।

ককসবাজার জেলার কৃতি সন্তান মইন উদ্দীন জনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কক্সবাজার জেলা শাখার উপ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক, এফডিএ এর সাধারণ সম্পাদক, জনপ্রিয় অনলাইন সংবাদ মাধ্যম ককসবাজার ম্যাসেজ ডট কম সিবিএমএর ব্যবস্থাপনা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম নুরুল হক (বীরপ্রতীক) এর সর্বকনিষ্ঠ সুযোগ্য সন্তান।

এদিকে খেতাবপাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ আহবায়ক কমিটির সদস্য নির্বাচিত করায় অভিনন্দন জানিয়েছেন ককসবাজার ম্যাসেজ ডট কম সিবিএমের সম্পাদক ও প্রকাশক- অারিফুল্লাহ কাউছার নূরী, নির্বাহী সম্পাদক একরামুল হক সহ ককসবাজার জেলার বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা।