আওয়ামীলীগের মনোনয়ন ফরম জমা দিলেন তিন ভাই

 একই  পরিবারের ৩ ভাইয়ের নৌকার প্রচারণায় মুখর বরিশাল-৬ বাকেরগঞ্জ আসন। 

আওয়ামীলীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে মনোনয়ন-ফরম জমাদানের পূর্বে তিন ভাই (বামে ) আবির-ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জু-এবং-অসীম।

নিজস্ব ডেস্ক, ঢাকা।।

বাকেরগঞ্জের কাকরধা গ্রামের বাসিন্দা ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল হক (মঞ্জুর)  বাবা মরহুম শামসুল হক সিকদার ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক। আজন্ম আওয়ামী লীগার বাবার পথ ধরে তিন মেধাবী সন্তান বড় ছেলে অসীম, মেজ ছেলে  ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জু  এবং ছোট ছেলে আবীর তাদের প্রত্যেকেই  ছাত্রলীগের মাধ্যমে শুরু করেন নিজ নিজ  রাজনৈতিক জীবন।

তিন সহোদর যথাক্রমে- ১। নুরুক হক অসীম, সাবেক, সহ-সভাপতি, জহুরুল হক হল ছাত্রলীগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। সদস্য, তথ্য ও গবেষণা উপ-কমিটি, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ।

২। ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল হক (মঞ্জু) , সাবেক সভাপতি, বুয়েট ছাত্রলীগ। সদস্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপ-কমিটি।  সাবেক সদস্য, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি। সাবেক সহ-সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ উপ-কমিটি। নবম ও দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন মনিটরিং কমিটির সদস্য, প্রকৌশল পরিষদের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং বঙ্গবন্ধু  প্রকৌশল পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের প্রচার সম্পাদক,  বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্সের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং একাদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির নির্বাচন পর্যবেক্ষণ সমন্বয় উপ-কমিটির সদস্য , এবং

৩। এনামুল হক আবির, সাবেক যুগ্ন-সম্পাদক, জসীম উদ্দিন হল ছাত্রলীগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। সাবেক সদস্য , বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি। সাবেক সেক্রেটারি, ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগ।  সদস্য, রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক উপ-কমিটি, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ।

তারুন্যদীপ্ত পরিছন্ন রাজনীতিবিধ , দূর্সময়ের আওয়ামীলীগের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর- ৮০, ৯০ দশকের ছাত্রলীগের রাজপথের সাহসী কান্ডারী , জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাছিনার আস্থাবাজন মেধাবী রাজনীতিবিদ , সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা, বরিশাল-৬ আসন (বাকেরগঞ্জ) এর কৃতি সন্তান ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল হক (মঞ্জু )। আগামী সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনের আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী  ।  বুয়েট ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও আ.লীগ কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল হক (মঞ্জু) এবং তার দুই ভাই ছাত্র রাজনীতির আদর্শ থেকেই  বেড়ে উঠা।  ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জু সহ বড় ভাই আসীম এবং ছোট ভাই আবির গত ১১/১১/২০১৮ তারিখে সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়  রাজধানীর ধানমন্ডি কার্যালয় থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছেন এবং তিন ভাই পূরণ করে জমা দিয়েছেন তাদের একি পরিবারের  রাজনীতিময়  তিন ভাইয়ের জীবন বৃত্তান্ত । এই পরিবাররের পক্ষ থেকে একি সঙ্গে  তিন আপন  ভাইয়ের  মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করায় বাকেরগঞ্জ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন নেতা-কর্মী, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীরা আনন্দ মিছিল করেছে। তাঁর নেতা-কর্মী ও সাধারণ ভোটাররা জানান সবদিক থেকে ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল হক (মঞ্জু) একমাত্র যোগ্য প্রার্থী। বরিশালের বাকেরগঞ্জ  উপজেলার মধ্যে একমাত্র কর্মীবান্ধব এবং তরুণ মেধাবী কেন্দ্রীয় নেতা ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল হক (মঞ্জু)।   

এলাকায় তাকে বাকেরগঞ্জ আওয়ামী রাজনীতির উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচনা করছেন স্থানীয় আওয়ামীলীগ এবং জনসাধরন। এলাকার স্থানীয় বাসিন্দাদের একমাত্র চাওয়া এই আসনে এবার নৌকার যৌগ্য  প্রার্থী , তাই সব মহলেই ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জু কে নিয়েই আলোচনা সমালোচনা। তাদের তিন ভাই ছাত্র  রাজনীতি দিয়ে পথ চলা শুরু। মুক্তিযোদ্ধা পিতার অবদান যেন বৃতা না যায়  তাই তিন ভাই ৮০ এবং ৯০ দশক থেকে আওয়ামী রাজনীতির সাথে যুক্ত থেকে আজ অবদি আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত আছেন। নানা নিপীড়ন নির্মম মামলা হামলার ত্যাগ শিকার করে দীর্ঘ এই রাজনীতি জীবনে জয়ী হওয়ার জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন তিন সহোদর।  একেক ভাই একেক সময়ে ছাত্র লীগের তুখোড় নেতা ছিলেন । তিন ভাই দেশের খ্যাত নামা শিক্ষা প্রতিষ্টান থেকে পাঠ চুকিয়েছেন। দুই ভাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জু ,বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)  থেকে ইঞ্জিনিয়ার পাশ করে দেশ সেবায় দেশের মানুষের সেবায় ব্রত আছেন। এখন তাদের পরিবারের  চাওয়া বাকেরগঞ্জ কে নতুন ভাবে সাজানো। গত নির্বাচনে  এই আসনে জোট হওয়ার কারনে জাতীর পার্টিকে ছেড়ে দিতে হয়েছে তাই চোখে দেখার মত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত এই আসনের জনগণ।

একই সঙ্গে তিন ভাই তাদের মনোনয়ন পত্র জমা দেন

তাই এবার সর্ব মহলের একটাই চাওয়া, তিন ভাইয়ের যে কাউকে মনোনয়ন দেওয়া হোক এটাই একমাত্র জন নেত্রী শেখ হাছিনার কাছে সবাই  আশা করছেন। মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জু বলেন” রাজনৈতিক আদর্শ বলতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু এবং তার দল আওয়ামী লীগ। আর নেতা বলতে জননেত্রী শেখ হাসিনা। এর বাইরে কিছু জানিও না, বুঝিও না। বাকি সিদ্ধান্ত দেবেন নেত্রী। আমি এখন কেবল সেই অপেক্ষায় আছি। এবার সবদিক থেকে বিবেচনা করে যোগ্যতা ও জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে মনোনয়ন দেয়া হবে। বাাকেরগঞ্জ এর জনসাধারণ আমার প্রতি আস্থাশীল, আমিও এ বিশ্বাস ও আস্থার মূল্য দিতে চাই । তাই এই আসনে  আ.লীগ থেকে মনোনয়নে আশাবাদী” ।

২ লাখ ৪৫ হাজার ৫২৫ ভোটার নিয়ে গঠিত এই বরিশাল ৬ আসনটি আওয়ামী লীগের ঘরে রাখতেই তৃণমূল নেতারা কেন্দ্রের কাছে দাবি জানিয়ে আসছে। তাদের দাবি, এবার ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল হক মঞ্জুকে নৌকার মনোনয়ন দিয়ে আসনটি তারা দখলে নেবেন। যদিও আসনটি দীর্ঘদিন ধরে মহাজোটের শরিক জাপার দখলে।

সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরে জনগণের কাছে ভোট চাইছেন বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল হক মঞ্জু। তিনি নৌকা প্রতীকে নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগ ও প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন, ভোটারদের হাতে সরকারের ১০ বছরের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের লিফলেট বিতরণ করেন।

আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড কর্তৃক তৈরিকৃত মনোনয়ন তালিকার ৩০০ আসনের প্রার্থী তালিকা, দেখে নিন কারা আছেন

অনলাইন ডেস্ক, ঢাকা।

গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর পৃথক রিপোর্ট বিচার-বিশ্লষণপূর্বক আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড ৩০০  আসনে একটি প্রার্থী তালিকা তৈরি করে রেখেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট  একটি সূত্র। সূত্র মতে, নির্বাচনকে সামনে রেখে হাইকমান্ড প্রার্থী তালিকা  তৈরির ক্ষেত্রে শরীক দলগুলোর বর্তমান আসনগুলোর প্রতি দৃষ্টি রেখেছেন। স্বল্পসংখ্যক আসনে প্রার্থী নির্বাচন বাদ রাখা হয়েছে শরীক দলগুলোর কয়েকজন সংসদ সদস্যের কথা মাথায় রেখে। নির্বাচনের প্রাক্কালে তারা মনোনয়নের বিনিময়ে আওয়ামী লীগে যোগদান করবেন বলে জানা যায়।

আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড কর্তৃক তৈরিকৃত মনোনয়ন তালিকাটি এই মুহূর্তে আনুষ্ঠানিকভাবে  প্রকাশ না করলেও শিগগিরই মনোনীত প্রার্থীদের মৌখিকভাবে মাঠে নামার নির্দেশ  দেয়া হবে হাইকমান্ড থেকে। প্রার্থী তালিকাটি যথাসময়ে দলের সংসদীয় বোর্ড  কর্তৃক অনুমোদিত হয়ে আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবে বলেও জানা গেছে। অনিবার্য  কারণ ব্যতীত তালিকায় খুব একটা যোগ-বিয়োগের সম্ভাবনা নেই বলে দাবি করেছে এ  সূত্রটি। সূত্র মতে,”অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা” নেয়ার নীতিগ্রহণ করে আওয়ামী লীগ তার গতি প্রকৃতি নির্ধারণ করছে।

আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নাম ও আসন নিম্নে দেয়া হলো

ঢাকা-১ আব্দুল মান্নান খান, ঢাকা-২ শাহীন আহমেদ, ঢাকা-৩ নসরুল হামিদ বীপু,  ঢাকা-৪ ডঃ আওলাদ হোসেন, ঢাকা-৫ মশিউর রহমান সজল, ঢাকা-৬ শাহে আলম মুরাদ,  ঢাকা-৭ ডাঃ মোস্তফা জালাল মহিউদ্দীন, ঢাকা-৮ ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট, ঢাকা-৯  মোজাফফর হোসেন পল্টু, ঢাকা-১০ শেখ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা-১১ একেএম  রহমতউল্লাহ, ঢাকা-১২ আসাদুজ্জামান খান কামাল, ঢাকা-১৩ জাহাঙ্গীর কবির নানক,  ঢাকা-১৪ সাবিনা আকতার তুহিন, ঢাকা-১৫ গাজী মেজবাউল হোসেন সাচ্চু, ঢাকা-১৬  এম এ মান্নান কচি, ঢাকা-১৭ মুহম্মদ ফারুক খান, ঢাকা-১৮ অ্যাডঃ সাহারা  খাতুন, ঢাকা-১৯ তৌহিদ জং মুরাদ, ঢাকা-২০ বেনজীর আহমেদ। নারায়ণগঞ্জ-১ গোলাম  দস্তগীর গাজী,নারায়ণগঞ্জ-২ নজরুল ইসলাম বাবু, নারায়ণগঞ্জ-৩ কায়সার হাসনাত,  নারায়ণগঞ্জ-৪ একেএম শামীম ওসমান, নারায়ণগঞ্জ-৫ এস এম আকরাম। গাজীপুর-১ আকম  মোজাম্মেল হক, গাজীপুর-২ জাহিদ আহসান রাসেল,গাজীপুর-৩ জামিল হাসান  দুর্জয়,গাজীপুর-৪ সিমিন হোসেন রিমি,গাজীপুর-৫ আখতারুজ্জামান। মুন্সিগঞ্জ-১  ডাঃ বদিউজ্জামান ডাব্লু, মুন্সিগঞ্জ-২ অ্যাডঃ মাহবুবে আলম, মুন্সিগঞ্জ-৩  মৃণাল কান্তি দাস। কিশোরগঞ্জ-১ সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-২ সোহরাব  উদ্দিন, কিশোরগঞ্জ-৩ ডঃ মিজানুল হক, কিশোরগঞ্জ-৪ রেজওয়ান আহমেদ তৌফিক,  কিশোরগঞ্জ-৫ আফজাল হোসেন, কিশোরগঞ্জ-৬ নাজমুল হাসান পাপন। নরসিংদী-১ নজরুল  ইসলাম, নরসিংদী-২ কামরুল আশরাফ খান, নরসিংদী-৩ সিরাজুল ইসলাম মোল্লা,  নরসিংদী-৪ নুরুল মজিদ হুমাউন, নরসিংদী-৫ রাজিউদ্দীন আহমেদ রাজুর পুত্র।  গোপালগঞ্জ-১ শেখ রেহানা, গোপালগঞ্জ-২ শেখ ফজলুল করিম সেলিম, গোপালগঞ্জ-৩  শেখ হাসিনা। মাদারীপুর-১ নূরে আলম চৌধুরী লিটন, মাদারীপুর-২ শাহজাহান খান,  মাদারীপুর-৩ আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম। শরিয়তপুর-১ বি এম মোজাম্মেল হক,  শরিয়তপুর-২ একেএম এনামুল হক শামীম,শরিয়তপুর-৩ নাহিম রাজ্জাক। ফরিদপুর-১ ডাঃ  দিলীপ রায়, ফরিদপুর-২ আয়মন আকবর চৌধুরী, ফরিদপুর-৩ ইঞ্জিনয়ার খন্দকার  মোশাররফ হোসেন, ফরিদপুর-৪ মজিবর রহমান চৌধুরী। কুমিল্লা-১ ইঞ্জিনিয়ার আব্দুর সবুর , কুমিল্লা-২ সেলিমা আহমেদ, কুমিল্লা-৩ ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুন,  কুমিল্লা-৪ রাজী মোহাম্মদ ফখরুল, কুমিল্লা-৫ আব্দুল মতিন খসরু, কুমিল্লা-৬  আফম বাহাউদ্দীন বাহার, কুমিল্লা-৭ ডাঃ প্রাণ গোপাল দত্ত, কুমিল্লা-৮  অধ্যাপক আলী আশরাফ, কুমিল্লা-৯ তাজুল ইসলাম, কুমিল্লা-১০ আহম মোস্তফা  কামাল, কুমিল্লা-১১ মজিবুল হক মুজিব। চট্রগ্রাম-১ ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ  হোসেন, চট্টগ্রাম-২ চট্টগ্রাম-৩ মাহফুজুর রহমান মিতা, চট্টগ্রাম-৪,  চট্টগ্রাম-৫, চট্টগ্রাম-৬, চট্টগ্রাম-৭ ডঃ হাসান মাহমুদ, চট্টগ্রাম-৮,  চট্টগ্রাম-৯ মহিবুল হাসান নওফেল, চট্টগ্রাম-১০ মঞ্জুরুল আলম, চট্টগ্রাম-১১  আব্দুল লতিফ, চট্টগ্রাম-১২ শামসুল হক চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১৩ সাইফুজ্জামান  চৌধুরী জাবেদ, চট্টগ্রাম-১৪ নজরুল ইসলাম চৌধুরী। চাঁদপুর-১ গোলাম হোসেন,  চাঁদপুর-২ মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, চাঁদপুর-৩ সুজিৎ রায় নন্দী,  চাঁদপুর-৪ শামসুল হক ভুঁইয়া, চাঁদপুর-৫ রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম।

দিনাজপুর-১ মনোরঞ্জণ শীল গোপাল, দিনাজপুর-২ খালিদ মাহমুূদ চৌধুরী,  দিনাজপুর-৩ ইকবালুর রহিম, দিনাজপুর-৪ আবুল হাসান মাহমুদ আলী, দিনাজপুর-৫  মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার, দিনাজপুর-৬ শিবলী সাদিক। ঠাকুরগাঁও-১ রমেশ চন্দ্র  সেন, ঠাকুরগাঁও-২ মাজহারুল ইসলাম সুজন, ঠাকুটগাঁও-৩। নীলফামারী-১  আফতাবউদ্দিন সরকার, নীলফামারী-২ আসাদুজ্জামান নূর, নীলফামারী-৩ অধ্যাপক  গোলাম মোস্তফা, নীলফামারী-৪ আমেনা কোহিনুর আলম। লালমনিরহাট-১ মোতাহার  হোসেন, লালমনিরহাট-২ নুরুজ্জামান আহমেদ, লালমনিরহাট-৩ আবু সালেহ সাইদ  দুলাল। রংপুর-১ রংপুর-২ আহসানুল হক চৌধুরী ডিউক, রংপুর-৩ আনোয়ারুল ইসলাম,  রংপুর-৪ টিপু মন্সী, রংপুর-৫ এইচ এন আশিকুর রহমান, রংপুর-৬ সজীব ওয়াজেদ জয়।  কুড়িগ্রাম-১, কুড়িগ্রাম-২ জাফর আলী, কুড়িগ্রাম-৩ শওকত আলী বীরবিক্রম,  কুড়িগ্রাম-৪ জাকির হোসেন। গাইবান্ধা -১ গোলাম মোস্তফা আহমেদ, গাইবান্ধা-২  সৈয়দ শামস উল আলম হীরা, গাইবান্ধা-৩ ডাঃ ইউনুস আলী সরকার, গাইবান্ধা-৪ আবুল  কালাম আজাদ, গাইবান্ধা-৫ মাহমুদ হোসেন রিপন। রাজশাহী-১ মতিউর রহমান,  রাজশাহী-২ আব্দুল খালেক, রাজশাহী-৩ আয়েন উদ্দীন, রাজশাহী-৪ এনামুল হক,  রাজশাহী-৫ এম এ ওয়াদুদ দারা, রাজশাহী-৬ শাহরিয়ার আলম। নাটোর-১ আবুল কালাম,  নাটোর-২ শফিকুল ইসলাম শিমুল, নাটোর-৩ জুনায়েদ আহম্মেদ পলক। পাবনা-১ অধ্যাপক  আবু সাইয়িদ, পাবনা-২ আজিজুল হক আরজু, পাবনা-৩ মকবুল হোসেন, পাবনা-৪ গোলাম  ফারুক প্রিন্স। নওগাঁ-১ সাধন চন্দ্র মজুমদার, নওগাঁ-২ শহীদুজ্জামান সরকার,  নওগাঁ-৩ ছলিম উদ্দিন, নওগাঁ-৪ ইমাজ উদ্দীন প্রামাণিক, নওগাঁ-৫ ব্যারিস্টার  নিজামউদ্দীন জলিল জন, নওগাঁ-৬ ইসরাফিল আলম। টাঙ্গাইল-১ ডঃ আব্দুর রাজ্জাক,  টাঙ্গাইল-২ খন্দকার মশিউজ্জামান রোমেল, টাঙ্গাইল-৩ সৈয়দ আবু ইউসুফ,  টাঙ্গাইল-৪ সোহেল হাজারী, টাঙ্গাইল-৫ ছানোয়ার হোসেন, টাঙ্গাইল-৬ খন্দকার এম  এ বাতেন, টাঙ্গাইল-৭ একাব্বর হোসেন ও টাঙ্গাইল-৮ অনুপম শাহজাহান জয়।  মানিকগঞ্জ-১ আনোয়ারুল হক, মানিকগঞ্জ-২ মমতাজ বেগম, মানিকগঞ্জ-৩ জাহিদ মালেক  স্বপন। সিরাজগঞ্জ-১ মোহাম্মদ নাসিম, সিরাজগঞ্জ-২ হাবিবে মিল্লাত,  সিরাজগঞ্জ-৩, সিরাজগঞ্জ-৪ তানভীর ইমাম, সিরাজগঞ্জ-৫ আব্দুল মজিদ মন্ডল ও  সিরাজগঞ্জ-৬ হাসিবুর রহমান স্বপন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ গোলাম রাব্বানী,  চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ জিয়াউর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আব্দুল ওয়াদুদ বিশ্বাস।  নরসিংদী-১ নজরুল ইসলাম, নরসিংদী-২ কামরুল আশরাফ খান, নরসিংদী-৩ সিরাজুল  ইসলাম মোল্লা, নরসিংদী-৪ নুরুল মজিদ হুমায়ুন ও নরসিংদী-৫ রাজি উদ্দীন আহমেদ  রাজু তনয়। বি বাড়িয়া-১ এটিএম মনিরুজ্জামান সরকার, বিবাড়িয়া-২ বি বাড়িয়া-৩  উবায়দুল মোক্তাদির চৌধুরী, বি বাড়িয়া-৪ ব্যারিস্টার আনিসুল হক, বি  বাড়িয়া-৫, বি বাড়িয়া-৬ মহিউদ্দীন আহমেদ মহি। সিলেট-১ ডঃ আবুল মোমেন,  সিলেট-২ শফিকুর রহমান চৌধুরী, সিলেট-৩ মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী কয়েস,  সিলেট-৪ ইমরান আহমেদ, সিলেট-৫ মাশুক উদ্দীন, সিলেট-৬ নুরুল ইসলাম নাহিদ,  হবিগঞ্জ-১ আমাতুল কিবরিয়া চৌধুরী কেয়া, হবিগঞ্জ-২ আব্দুল মজিদ খান,  হবিগঞ্জ-৩ । সুনামগঞ্জ-১ মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, সুনামগঞ্জ-২ জয়া সেন গুপ্তা,  সুনামগঞ্জ-৩ আজিজ উস সামাদ ডন, সুনামগঞ্জ-৪ পীর ফজলুর রহমান, সুনামগঞ্জ-৫  মহিবুর রহমান মানিক। মৌলভীবাজার-১ আব্দুল মতিন, মৌলভীবাজার-২,  মৌলভীবাজার-৩, মৌলভীবাজার-৪ উপাধ্য আব্দুস শহীদ।

নোয়াখালী-১ এইচ এম ইব্রাহিম, নোয়াখালী-২ মোরশেদ আলম, নোয়াখালী-৩  মামুনুর রশীদ কিরণ, নোয়াখালী-একরামুল করিম চৌধুরী, নোয়াখালী-৫ ওবায়দুল  কাদের, নোয়াখালী-৬ আয়েশা সিদ্দিকী। লক্ষ্মীপুর-১ আবদুল্লাহ, লক্ষ্মীপুর-২  মোহাম্মদ নোমান, লক্ষ্মীপুর-৩ শাহজাহান কামাল, লক্ষ্মীপুর-৪। ফেনী-১  আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, ফেনী-২ নিজামউদ্দীন হাজারী, ফেনী-৩ সাইফুদ্দীন  নাসির। বান্দরবান- বীর বাহাদুর ও রাঙামাটিঃ দীপঙ্কর তালুকদার। জয়পুরহাট-১  শামসুল আলম দুদু জয়পুরহাট-২ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন।

বরিশাল-১ আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ, বরিশাল- ২ গোলাম ফারুক, বরিশাল-৩,  বরিশাল-৪ পঙ্কজ দেবনাথ, বরিশাল-৫ জেবুন্নেছা হক, বরিশাল-৬ ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল হক (মঞ্জু) । পটুয়াখালী-১ শাজাহান মিয়া,পটুয়াখালী-২ আসম ফিরোজ,  পটুয়াখালী-৩ আখম জাহাঙ্গীর হোসাইন, পটুয়াখালী-৪ মাহবুবুর রহমান তালুকদার।  বরগুণা-১ ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু, বরগুনা-২ শওকত হাছানুর রহমান। ঝালকাঠি-১  মনিরুজ্জামান মনির, ঝালকাঠি-২ আমির হোসেন আমু। ভোলা-১ তোফায়েল আহমেদ,  ভোলা-২ আলী আজম মুকুল, ভোলা-৩ নুরুন্ববী চৌধুরী শাওন, ভোলা-৪ আব্দুল্লাহ আল  জ্যাকব। পিরোজপুর-১ অ্যাডঃ রেজাউল করিম, পিরোজপুর-২ শাহে আলম, পিরোজপুর-৩  ইসহাক আলী খান পান্না। শেরপুর-১ আতিয়ার রহমান আতিক, শেরপুর-২ বেগম মতিয়া  চৌধুরী, শেরপুর-৩ ফজলুল হক। ময়মনসিংহ-১ জুয়েল আরেং, ময়মনসিংহ-২ হায়াতুর  রহমান খান,  ময়মনসিংহ-৪ আব্দুস ছাত্তার, ময়মনসিংহ-৫ কে এম খালিদ,  ময়মনসিংহ-৬ মোসলেম উদ্দীন, ময়মনসিংহ-৭ এম এ হান্নান, ময়মনসিংহ-৮,  ময়মনসিংহ-৯ আনোয়ার আবেদীন তুহিন, ময়মনসিংহ-১০ ফাহমী গোলান্দাজ বাবেল।  নেত্রকোনা-১ মোশতাক  আহমেদ রুহী,  নেত্রকোনা-৩ ইত্তেকার তালুকদার,  নেত্রকোনা-৪ রেবেকা মোমিন। যশোর-১ শেখ আফিল উদ্দীন, যশোর-২ মনিরুল ইসলাম,  যশোর-৩ কাজী নাবিল আহমেদ, যশোর-৪, যশোর-৫ স্বপন ভট্টাচার্য, যশোর-৬।  খুলনা-১ পঞ্চানন বিশ্বাস, খুলনা-২ মিজানুর রহমান, খুলনা-৩ মন্নুজান  সুফিয়ান, খুলনা-৪ সালাম মুরশিদী  , খুলনা-৫ নারায়ণ চন্দ্র চন্দ।  রাজবাড়ি-১ কাজী কেরামত আলী, রাজবাড়ী-২ জিল্লুল হাকিম। সাতক্ষীরা-১ শেখ  মুজিবুর রহমান, সাতক্ষীরা-২ মীর মোশতাক আহমেদ রবি, সাতক্ষীরা-৩ অধ্যাপক ডাঃ  তআফম রুহুল হক, সাতক্ষীরা-৪ এসএম জগলুল হায়দার। মাগুরা-১ সাইফুজ্জামান  শেখর, মাগুরা-২ বীরেন শিকদার। নড়াইল-১ কবিরুল হক মুক্তি, নড়াইল-২ শেখ  হাসিনা। বাগেরহাট-১ শেখ হেলাল উদ্দীন, বাগেরহাট-২ বাগেরহাট-৩ তালুকদার  আব্দুল খালেক বাগেরহাট-৪ ডাঃ মোজাম্মেল হোসেন .

দিনাজপুর-১ মনোরঞ্জণ শীল গোপাল, দিনাজপুর-২ খালিদ মাহমুদ চৌধুরী,  দিনাজপুর-৩ ইকবালুর রহিম, দিনাজপুর-৪ আবুল হাসান মাহমুদ আলী, দিনাজপুর-৫  মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার, দিনাজপুর-৬ শিবলী সাদিক। ঠাকুরগাঁও-১ রমেশ চন্দ্র  সেন, ঠাকুরগাঁও-২ মাজহারুল ইসলাম সুজন, ঠাকুটগাঁও-৩। নীলফামারী-১  আফতাবউদ্দিন সরকার, নীলফামারী-২ আসাদুজ্জামান নূর, নীলফামারী-৩ অধ্যাপক  গোলাম মোস্তফা, নীলফামারী-৪ আমেনা কোহিনুর আলম। লালমনিরহাট-১ মোতাহার  হোসেন, লালমনিরহাট-২ নুরুজ্জামান আহমেদ, লালমনিরহাট-৩ আবু সালেহ সাইদ  দুলাল। রংপুর-১ রংপুর-২ আহসানুল হক চৌধুরী ডিউক, রংপুর-৩ আনোয়ারুল ইসলাম,  রংপুর-৪ টিপু মন্সী, রংপুর-৫ এইচ এন আশিকুর রহমান, রংপুর-৬ সজীব ওয়াজেদ জয়।  কুড়িগ্রাম-১, কুড়িগ্রাম-২ জাফর আলী, কুড়িগ্রাম-৩ শওকত আলী বীরবিক্রম,  কুড়িগ্রাম-৪ জাকির হোসেন। গাইবান্ধা -১ গোলাম মোস্তফা আহমেদ, গাইবান্ধা-২  সৈয়দ শামস উল আলম হীরা, গাইবান্ধা-৩ ডাঃ ইউনুস আলী সরকার, গাইবান্ধা-৪ আবুল  কালাম আজাদ, গাইবান্ধা-৫ মাহমুদ হোসেন রিপন। রাজশাহী-১ মতিউর রহমান,  রাজশাহী-২ আব্দুল খালেক, রাজশাহী-৩ আয়েন উদ্দীন, রাজশাহী-৪ এনামুল হক,  রাজশাহী-৫ এম এ ওয়াদুদ দারা, রাজশাহী-৬ শাহরিয়ার আলম। নাটোর-১ আবুল কালাম,  নাটোর-২ শফিকুল ইসলাম শিমুল, নাটোর-৩ জুনায়েদ আহম্মেদ পলক। পাবনা-১ অধ্যাপক  আবু সাইয়িদ, পাবনা-২ আজিজুল হক আরজু, পাবনা-৩ মকবুল হোসেন, পাবনা-৪ গোলাম  ফারুক প্রিন্স। নওগাঁ-১ সাধন চন্দ্র মজুমদার, নওগাঁ-২ শহীদুজ্জামান সরকার,  নওগাঁ-৩ ছলিম উদ্দিন, নওগাঁ-৪ ইমাজ উদ্দীন প্রামাণিক, নওগাঁ-৫ ব্যারিস্টার  নিজামউদ্দীন জলিল জন, নওগাঁ-৬ ইসরাফিল আলম। টাঙ্গাইল-১ ডঃ আব্দুর রাজ্জাক,  টাঙ্গাইল-২ খন্দকার মশিউজ্জামান রোমেল, টাঙ্গাইল-৩ সৈয়দ আবু ইউসুফ,  টাঙ্গাইল-৪ সোহেল হাজারী, টাঙ্গাইল-৫ ছানোয়ার হোসেন, টাঙ্গাইল-৬ খন্দকার এম  এ বাতেন, টাঙ্গাইল-৭ একাব্বর হোসেন ও টাঙ্গাইল-৮ ইঞ্জিনিয়ার আতাউল মাহমুদ ।  মানিকগঞ্জ-১ আনোয়ারুল হক, মানিকগঞ্জ-২ মমতাজ বেগম, মানিকগঞ্জ-৩ জাহিদ মালেক  স্বপন। সিরাজগঞ্জ-১ মোহাম্মদ নাসিম, সিরাজগঞ্জ-২ হাবিবে মিল্লাত,  সিরাজগঞ্জ-৩, সিরাজগঞ্জ-৪ তানভীর ইমাম, সিরাজগঞ্জ-৫ আব্দুল মজিদ মন্ডল ও  সিরাজগঞ্জ-৬ হাসিবুর রহমান স্বপন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ গোলাম রাব্বানী,  চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ জিয়াউর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আব্দুল ওয়াদুদ বিশ্বাস।  নরসিংদী-১ নজরুল ইসলাম, নরসিংদী-২ কামরুল আশরাফ খান, নরসিংদী-৩ সিরাজুল  ইসলাম মোল্লা, নরসিংদী-৪ নুরুল মজিদ হুমায়ুন ও নরসিংদী-৫ রাজি উদ্দীন আহমেদ  রাজু তনয়। বি বাড়িয়া-১ এটিএম মনিরুজ্জামান সরকার, বিবাড়িয়া-২ বি বাড়িয়া-৩  উবায়দুল মোক্তাদির চৌধুরী, বি বাড়িয়া-৪ ব্যারিস্টার আনিসুল হক, বি  বাড়িয়া-৫, বি বাড়িয়া-৬ মহিউদ্দীন আহমেদ মহি। সিলেট-১ ডঃ আবুল মোমেন,  সিলেট-২ শফিকুর রহমান চৌধুরী, সিলেট-৩ মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী কয়েস,  সিলেট-৪ ইমরান আহমেদ, সিলেট-৫ মাশুক উদ্দীন, সিলেট-৬ নুরুল ইসলাম নাহিদ,  হবিগঞ্জ-১ আমাতুল কিবরিয়া চৌধুরী কেয়া, হবিগঞ্জ-২ আব্দুল মজিদ খান,  হবিগঞ্জ-৩ । সুনামগঞ্জ-১ মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, সুনামগঞ্জ-২ জয়া সেন গুপ্তা,  সুনামগঞ্জ-৩ আজিজ উস সামাদ ডন, সুনামগঞ্জ-৪ পীর ফজলুর রহমান, সুনামগঞ্জ-৫  মহিবুর রহমান মানিক। মৌলভীবাজার-১ আব্দুল মতিন, মৌলভীবাজার-২,  মৌলভীবাজার-৩, মৌলভীবাজার-৪ উপাধ্য আব্দুস শহীদ।

বরিশাল-১ আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ, বরিশাল- ২ গোলাম ফারুক, বরিশাল-৩  অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন , বরিশাল-৪ পঙ্কজ দেবনাথ, বরিশাল-৫ জেবুন্নেছা হিরন  , বরিশাল-৬ ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল হক (মঞ্জু) ।

পটুয়াখালী-১ শাজাহান মিয়া, পটুয়াখালী-২ আসম ফিরোজ,পটুয়াখালী-৩ আখম জাহাঙ্গীর হোসাইন, পটুয়াখালী-৪ মাহবুবুর রহমান তালুকদার।

বরগুণা-১ ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু, বরগুনা-২ শওকত হাছানুর রহমান।

ঝালকাঠি-১ মনিরুজ্জামান মনির, ঝালকাঠি-২ আমির হোসেন আমু।

ভোলা-১ তোফায়েল আহমেদ, ভোলা-২ আলী আজম মুকুল, ভোলা-৩ নুরুন্ববী চৌধুরী শাওন ও ভোলা-৪ আব্দুল্লাহ আল জ্যাকব।

পিরোজপুর-১ অ্যাডঃ রেজাউল করিম, ও পিরোজপুর-৩ ইসহাক আলী খান পান্না।

শেরপুর-১ আতিয়ার রহমান আতিক, শেরপুর-২ বেগম মতিয়া চৌধুরী, শেরপুর-৩ ফজলুল হক।

যশোর-১ শেখ আফিল উদ্দীন, যশোর-২ মনিরুল ইসলাম, যশোর-৩ কাজী নাবিল আহমেদ, যশোর-৪, যশোর-৫ স্বপন ভট্টাচার্য, যশোর-৬।

খুলনা-১ পঞ্চানন বিশ্বাস, খুলনা-২ মিজানুর রহমান, খুলনা-৩ মন্নুজান  সুফিয়ান, খুলনা-৪ মোস্তফা রশিদী সূজা, খুলনা-৫ নারায়ণ চন্দ্র চন্দ।

সাতক্ষীরা-১ সাতক্ষীরা-২ মীর মোশতাক আহমেদ রবি, সাতক্ষীরা-৩ অধ্যাপক ডাঃ আফম রুহুল হক, সাতক্ষীরা-৪ এসএম জগলুল হায়দার।

মাগুরা-১ মাগুরা-২ বীরেন শিকদার।

নড়াইল-১ কবিরুল হক মুক্তি, নড়াইল-২ শেখ হাসিনা। বাগেরহাট-১ শেখ হেলাল  উদ্দীন, বাগেরহাট-২ বাগেরহাট-৩ তালুকদার আব্দুল খালেক বাগেরহাট-৪ ডাঃ  মোজ্জামেল হোসেন।

উল্লেখ্য,সাধারণ নির্বাচন সামনে রেখে জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনেই প্রার্থী রাখছে আওয়ামী লীগ। সংশ্লিষ্ট নেতৃত্বস্থানীয় সূত্র এই পূর্বাভাস দিয়ে জানিয়েছে, নির্বাচন নিয়ে বিএনপি’র ভবিষ্যৎ নীতিনির্ধারণী কুট-কৌশলের ওপরই নির্ভর করছে  আওয়ামী লীগের প্রার্থীতার বিষয়টি। এ জন্য বিএনপি’র প্রতি ক্ষমতাসীন দলটির সর্তক পর্যবেক্ষণও রয়েছে। বিএনপি এককভাবে নির্বাচন করলে আওয়ামী লীগকেও এককভাবে নির্বাচনী লড়াইয়ে দেখা যেতে পারে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আশাপ্রকাশ করে বলেছেন, বিএনপি আবারও নির্বাচনী অংকে ভুল করবে না। তারা বিগত নির্বাচন বর্জন করে যে  ভুল করেছে সেথেকে শিক্ষা গ্রহণ করেছে বলে মনে হচ্ছে তাদের কথাবার্তায়।  সংসদীয় মনোয়ন বোর্ডের সদস্য সচিব ও সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল  কাদের বলেন, আগামী নির্বাচন হবে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক এবং তা কেবল বিএনপির অংশগ্রহণের মধ্য দিয়েই হতে পারে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোন বিকল্প পথ নেই, শেখ হাসিনা সরকারের অধীনেই বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিতে হবে, এবং তারা নেবেও। বিএনপি নির্বাচন  বর্জন করবে এরকম আশঙ্কা আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারক মহলে নেই। তারপরেও  ‘যদি’র প্রশ্নে একটা বিকল্প চিন্তা মাথায় রাখছে আওয়ামী লীগ।

বিএনপি-জামায়াত  নির্বাচন বর্জন করলে আওয়ামী লীগ বর্তমান শরীক দলগুলোকে নিজ নিজ দলীয়  প্রতীকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার পরামর্শ দেবে। শরীক দল জাতীয়  পার্টির ন্যায় অপর ১৪টি দলের সঙ্গে আসনভিত্তিক আঁতাত গড়ে তুলবে।

বিগত নির্বাচনে ১৫৩টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার যে অজুহাত তার  পুনরাবৃত্তি হতে দেয়া হবে না। জাতীয় পার্টিসহ শরীকরা স্ব স্ব প্রতীক নিয়ে  নির্বাচনে অংশ নিলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ থাকবে  না। নির্ধারিত সময়েই নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা জানান এই দু’নেতা। এছাড়াও  আওয়ামী লীগ মনে করছে, যুদ্ধাপরাধীদের চলমান বিচারকার্যের দিকটি গুরুত্ব  দিয়ে এককভাবেই নির্বাচন করতে পারে বিএনপি। ‘৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারির  নির্বাচনের ন্যায় নির্দিষ্টসংখ্যক আসনে জামায়াতের সঙ্গে পরোক্ষভাবে আঁতাত  করতে পারে দলটি।

“আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী আলোচিত নেতাদের অন্যতম ৬ জন তরুণ নেতা”

নিউজ ডেস্ক,রাজনীতির হাওয়া.
 একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে মাঠপর্যায়ে তোড়জোড় শুরু হয়েছে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মাঝে। এ নির্বাচনকে সামনে রেখে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী নেতাকর্মীরা। এলাকায় ব্যানার, পোষ্টার টাঙ্গানোর পাশাপাশি জনসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন সম্ভাব্য তরুন ও সাবেক ছাত্রনেতাদের বড় একটি অংশ। এদিকে ঐতিহ্যবাহী এ দলটির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের প্রবীণ নেতারা ইতিমধ্যে আগামী জাতীয় নির্বাচনে দু:সময়ের পরীক্ষিত ও ক্লিন ইমেজের অপেক্ষাকৃত তরুণ মুখদের মনোনয়নে প্রাধান্য দেয়ার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই সিদ্ধান্তের পরে আগামী নির্বাচনে মনোনয়নপ্রত্যাশী তরুন নেতারা দলীয় মনোনয়ন পেতে জোর তৎপরতা শুরু করেছেন।আওয়ামী লীগ হাইকমান্ড সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন সংসদ নির্বাচনে দলের প্রার্থী তালিকায় পুরাতনদের পাশাপাশি কমপক্ষে ১০০ তরুণ প্রার্থীর পরিবর্তন আসতে পারে।দশম জাতীয় নির্বাচন বিশেষ পরিস্থিতিতে হওয়ায় এ নির্বাচনে ৫০টি আসনে প্রার্থী পরিবর্তন হয়। কিন্তু এবার প্রায় ১০০ আসন থেকেও বেশি আসনে প্রার্থী পরিবর্তন হবার জোর সম্ভাবনা। যার বেশির ভাগই সাবেক ছাত্রনেতা, বর্তমান যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ, অবসরপ্রাপ্ত সেনাকর্মকর্তা, বিভিন্ন আমলা, ব্যবসায়ীরাও। তিনি আরো জানান, বেশ কিছু সংসদ সদস্য রয়েছেন, যারা দলীয় মনোনয়ন পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন কিন্তু এলাকায় তাঁর জনপ্রিয়তা হ্রাস পেয়েছে ও তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সাথে তেমন সম্পর্ক নেই এবং যাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে সেখানে আমাদের সাংগঠনিক অবস্থান মজবুত হলেও প্রার্থী পরিবর্তন হবে। এছাড়া বয়সের কারণে যারা বিভিন্ন রোগ-শোকে ভুগছেন, যাদের পরিবর্তে অপেক্ষাকৃত তরুণদের দল মনোনয়ন দেবে।
মনোনয়ন প্রত্যাশী আলোচিত নেতাদের অন্যতম ৬ জন তরুণ নেতা মধ্যে রয়েছেন ছাত্রলীগ এর সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, এনামুল হক শামীম (শরীয়তপুর-২), ছাত্রলীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহকারী একান্ত সচিব সাইফুজ্জামান শিখর (মাগুরা-১), ঢাকা মহানগর যুবলীগ এর বর্তমান সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট ( ঢাকা-৮), ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ও পটুয়াখালী জেলা আওয়ামীলীগ এর অন্যতম সদস্য, মৃত্যুঞ্জয়ী জোবায়দুল হক রাসেল (পটুয়াখালী -২) , কেরাণীগঞ্জ এর উপজেলা চেয়ারম্যান ও দেশের শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত শাহীন আহম্মেদ (ঢাকা-২),এবং বুয়েট ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি,বর্তমান বাংলাদেশের ইঞ্জিনিয়ারদের নির্বাচিত নেতা ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল হক (মঞ্জু) বরিশাল -৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী. 
তারা প্রত্যেকেই আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে নিজ নিজ এলাকায় ব্যাপক প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূলের আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে কাজ করে যাওয়া রাজপথের এই পরীক্ষিত সেনাদের এলাকাবাসীও নিয়েছেন পরম আপন করে নিয়েছেন।
ছাত্র নেতাদের মনোনয়ন নিয়ে বিস্তারিত প্রথম পর্বে থাকছেন ঃ বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ)
বরিশাল -৬ (বাকেরগঞ্জ) আসন থেকে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনয়ন এগিয়ে আছেন । বুয়েট ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি, বুয়েট ছাত্ররাজনীতির পথপ্রদর্শক, যার পথচলা ছাত্রলীগের এবং আওয়ামীলীগের দুঃসময়ের সাহসী পথচলা থেকেই ৮০-৯০ শতকের রাজপথের লড়াকু সৈনিক বর্তমান বাংলাদেশের ইঞ্জিনিয়ারদের নির্বাচিত নেতাইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল হক (মঞ্জু)।যিনি ইনিস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি), ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে সম্মানি দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তার হাত ধরেই বাংলাদেশের ইঞ্জিনিয়ারিং উন্নয়ন এর বহিঃপ্রকাশ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং মিডিয়ায় প্রকাশ পায়৷ তিনি একাডেমিক এবং আন্তর্জাতিক এফেয়ার্স এর ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রকৌশলী সমাজকে সেবা দিয়ে আসছেন যাতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভিশন ২১ এবং ৪১ বাস্তবায়ন সফল হয়।
বিগত ইনিস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) নির্বাচনে (২১ ডিসেম্বর, ২০১৭) স্বাধীনতার স্বপক্ষের প্যানেলে Engr. S.M Monjurul Hoque Monju কে ভাইস প্রেসিডেন্ট(একাডেমিক এন্ড ইন্টারন্যাশনাল) হিসেবে মনোনীত করায় বঙ্গবন্ধু কন্যা, বিশ্ব শান্তির অগ্রদূত জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা এর প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন- 
প্রকোশলী সমাজ, একটা পুরো দেশেরসুষ্ঠ সুন্দর অবকাঠামোগত উন্নয়নের রুপরেখা প্রনয়ন করে । আগামী সংসদ নির্বাচনে সবার কাছে দোয়া প্রার্থী, যাতে আমার নির্বাচনী এলাকা বাকেরগঞ্জ তথা সারা বাংলাদেশের প্রকৌশলী খাতকে জননেত্রী শেখ হাছিনার পক্ষ থেকে উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে পারি।

 

    
আসুন জেনে নেই কে এই ইঞ্জিনিয়ার (মঞ্জু),  তার বিস্তারিত: 
বরিশালের সূর্য সন্তান, বাংলাদেশের প্রকৌশলী সমাজের অহংকার, বুয়েট প্রকোশলী পরিবারের গৌরব, বুয়েট ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি, ইন্সটিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্স ,বাংলাদেশ এর সম্মানী সহ -সম্পাদক ,বাংলাদেশ প্রকৌশলী-কৃষক-চিকিৎসক (পকৃচি) এর প্রচার সম্পাদক, বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের সাংগাঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগএর সহ-সম্পাদক , ওয়েস্টজোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোং লিমিটেড এর বোর্ড অব ডিরেক্টর , বুয়েট এলামনাই এর অন্যতম সদস্য। তারুন্যদীপ্ত পরিছন্ন রাজনীতিবিধ , দূর্সময়ের আওয়ামীলীগের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর- ৮০, ৯০ দশকের ছাত্রলীগের রাজপথের সাহসী কান্ডারী , জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাছিনার আস্থাবাজন মেধাবী রাজনীতিবিদ , সাবেক ছাত্রলীগ নেতা, বরিশাল-৬ আসন (বাকেরগঞ্জ) এর কৃতি সন্তান ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল হক (মঞ্জু
Affiliation & Career :ENGR. S.M MONJURUL HOQUE MONJU
B.Sc. Engg. (Mech.), BUET,Fellow Member-7755.
-Vice President (Academic & International Affairs) , IEB HQ
-Ex- President, BUET Chatrolig.
-Ex-Assistant Secretary, Bangladesh Awami League.
– Ex-Honorary Assistant General Secretary (Academic & International Affairs) 2015-2017
– Director, Board of Directors, West Zone Power Distribution Company (WZPDC)
– Working in Washington Accord & International Professional Engineers Alliance Working Group.
– Ex-Director, Board of Directors, Electricity Generation Company of Bangladesh (EGCB)
– Managing Director, 3M (PVT.) Ltd
– CEO, 3M Air Service.
– CEO, Faizah Corporation.
– Member Secretary, Membership Committee, IEB.
– Life Member, Engineers Recreation Centre (ERC).
– Member, Executive Committee, Forum 86, BUET.
– Co-Convener, Private Engineers Welfare Committee, DC, IEB.
– Member-Secretary, Swaniyojito Prokousholi Samity.
– Joint-Convener, Private Engineers Service Rule Committee, IEB.
– Member-Secretary, 54th Convention Voluntary Committee.
– Member, Dhaka Chamber of Commerce & Industries (DCCI).
– Member, Federation of Bangladesh Chamber of Commerce & Industries (FBCCI).
– Member, Greater Barisal Engineers Welfare Association.
– Publicity Secretary, Executive Committee, Peshajibi Samonnay Parishad.
– Ex-Joint Secretary, Ahsanullah Hall Students Union, BUET.
– Ex-Chairman, BGMEA Standing Committee on Power, Gas & Telecom.
– Member, Better Business Forum Infrastructure Sub-Committee Working Group.
– Ex-BGMEA Representative to Energy Regulatory Commission.
– Ex-Co-Chairman, 61th Engineers Day Publicity Committee.
– Member, 52nd IEB Convention Organization Committee.
– Joint-Convener, Publicity Committee, 55th Convention, IEB.
– Council Member in Different Times.
– Actively Participated in PROKRICHI-BCB Movement.
– Involved in Different Co-Curricular & Extra-Curricular Activities in BUET.
– Visited Different Countries