নির্জন সৈকতের সন্ধানে – কুতুবদিয়া ভ্রমন।

ভ্রমণ ডেস্ক।।

যারা একটু নিরিবিলিতে সমুদ্রপাড়ে সময় কাটাতে চান মূলত তাদের জন্যই কুতুবদিয়া সমুদ্র সৈকত।
সৈকত বলতে আমরা বুঝি কক্সবাজার, সেন্ট মার্টিন বা কুয়াকাটাকে। এগুলোর বাইরে টো টো কোম্পানী এবার ট্রিপ করবে কুতুবদিয়াতে। কুতুবদিয়া কক্সবাজারের পেকুয়াতে অবস্থিত একটি দ্বিপ। এই দ্বীপের আয়তন ৩৬ বর্গ মাইল। বৈশিষ্টের দিক দিয়ে এই দ্বীপে রয়েছে ১৮ কিলোমিটার নির্জন সৈকত, বাংলাদেশের একমাত্র উইন্ডমিল প্রজেক্ট, বাতিঘর ও একটি মাজার।

ট্যুর প্লান
১।
রাতে নন এসি চেয়ার কোচ বাসে চট্টগ্রামে উদ্দেশ্যে যাত্রা।

সকাল ৬ টায় চট্টগ্রাম পৌছে সকালের খাবার খেয়ে বাসে মগনাম ঘাটের উদ্দেশ্যে রওনা দিব। ৩ ঘন্টা পর মগনাম ঘাটে পৌছে ১১ টার দিকে ট্রলারে করে কুতুবদিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিব। ট্রলারে করে পৌছাতে ২০ মিনিট সময় লাগবে। সমুদ্রবিলাস হোটেলে পৌছে রুমে চেক ইন। হোটেলের রুম থেকে সমুদ্রের দূরত্ব ১ মিনিট। রুমে ব্যাগ রেখে চলে যাব সমুদ্রে দাপাদাপি করতে। দুপুরের খাবার খেয়ে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে ৪ টার সময় রিজার্ভ গাড়ীতে করে চলে যাবো উইন্ডমিল প্রজেক্ট এলাকাতে। উইন্ডমিলের পাশের সৈকতে গ্যালারীর মত পাথরের বোল্ডার। এখানে বসে সূযাস্ত দেখবো। সূযাস্তের পর গাড়ীতে করে রওনা দিব দরবার ঘাট। সমুদ্রের আধা কিলোমিটার ভিতরে ঘাটটি অবস্থিত। সেখানে রাতে চানাচুর মুড়ি খাওয়া দাওয়া এবং স্থানীয় শিল্পীদের সাথে গান বাজনার আসর। রাত ৯টায় রতের খাবার এরপর হোটেলে ফিরে মন চাইলে ঘুম না চাইলে সমুদ্রবিলাস।

৩।
৮ টায় সকালের নাস্তা। নাস্তা শেষে জীপে করে চলে যাবো বাতিঘর দেখতে। সেখান থেকে ফিরে এসে দুপুরের খাবার খেয়ে ট্রলারে করে কুতুবদিয়া চ্যানেল পাড় হয়ে বাসে করে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দিব। তিন ঘন্টা বাস জার্নি শেষে রাতের খাবার খেয়ে ঢাকার বাসে করে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা।

৪।
সকাল ৬ টায় ঢাকা পৌছে যাবো।

# হোটেলে একরুমে ৩-৪ জনের থাকার ব্যবস্থা। কাপলদের জন্য আলাদা রুমের ব্যবস্থা আছে।
# সকালে পরটা, ডিম, সবজী
# দুপুরে মাংস, ভর্তা, সবজী, ডাল, ভাত
# রাতে মাছ অথবা মাংস, ভর্তা, সবজী, ডাল ভাত।
# হোটেলে সৌর বিদ্যুতের মাধ্যমে লাইট জ্বলে। মোবাইল চার্জের জন্য পাওয়ার ব্যাংক নিতে হবে। রাতে কিছুক্ষণের জন্য জেনারেটর চলবে।
# ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম নন এসি চেয়ার কোচে যাত্রা। চট্টগ্রাম থেকে কুতুবদিয়া (মগনামঘাট) এস আলম মিনি বাসে যাত্রা।

 

বাকেরগঞ্জের দুই দলের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের জনপ্রিয়তায় এগিয়ে ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল হক মঞ্জু

বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধি: আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে আওয়ামীলীগ-বিএনপির মনোনয়ন পেতে একাধিক প্রার্থী দৌড়ঝাঁপ শুরু করলেও প্রতিদ্বন্দ্বী নেই জাপার। নির্বাচনকে সামনে রেখে বাকেরগঞ্জ-৬ আসনটি নিয়ে দলীয় নেতা-কর্মীসহ সাধারণ মানুষ রাজনৈতিক হিসেব-নিকেশ শুরু করে দিয়েছেন। আওয়ামীলীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন পেতে মনোনয়ন প্রত্যাশীরা ইতিমধ্যেই দৌড়ঝাঁপ শুরু করে দিয়েছেন। শুভেচ্ছা পোস্টার ও লিফলেটের আড়ালে শুরু করেছেন প্রচার-প্রচারণা ও লবিং। নিজের অবস্থান শক্তিশালী করতে গঠন করেছন তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কমিটি। চালিয়ে যাচ্ছেন কর্মী সমাবেশ ও গণসংযোগ।

বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে আওয়ামীলীগের মনোনয়নে জনমত জরীপে সকলকে ছাপিয়ে এগিয়ে ইঞ্জি: মঞ্জুরুল হক

বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন বুয়েট ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি, ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সহ-সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল হক মঞ্জু, দলের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য মেজর জেনারেল আবদুল হাফিজ মল্লিক (অব.), উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, উপজেলা চেয়ারম্যান শামসুল হক চুন্নু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র লোকমান হোসেন ডাকুয়া, সাবেক এমপি জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আবদুর রশীদ খান, প্রয়াত সাবেক এমপি মাসুদ রেজার সহধর্মিণী জেলা পরিষদ সদস্য আইরিন রেজা ওএ আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন সাবেক এমপি উপজেলা বিএনপি সভাপতি আবুল হোসেন খান, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য শহীদ হাসান, বিএনপির সাবেক বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম রাজন, ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) যুবদলের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা শাহীন, উপজেলা বিএনপির সদস্য আবদুস শুকুর বাচ্চু নেগাবান ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আনোয়ার হোসেন (অব.)।

জোটবদ্ধভাবে নির্বাচন হলে এ আসনে মনোনয়ন চাইবেন জাতীয় পার্টির (এরশাদ) প্রেসিডিয়াম সদস্য বতর্মান এমপি নাসরিন জাহান রত্না আমিন। জাতীয় পার্টি একক নির্বাচন করলেও এ আসনে প্রার্থী হবেন তিনি। এ ছাড়া ১৪ দলীয় জোটভুক্ত নির্বাচন হলে এ আসনে জোটের মনোনয়ন চাইবেন কেন্দ্রীয় জাসদ নেতা মো. মহসীন।

এ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম নাসরিন জাহান রতনা এমপি গত ৮ বছরে এলাকায় বেশ কিছু উন্নয়ন করেছেন। তবে অবহেলিত এই জনপদের সার্বিক উন্নয়ন হয়নি। গত ৯ম ও ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসন থেকে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পান উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য মেজর জেনারেল অবঃ আবদুল হাফিজ মল্লিক। কিন্তু মহাজোটের আসন ভাগাভাগির প্রশ্নে এ আসনটি জাতীয় পার্টিকে ছেড়ে দিতে হয়। সাবেক এমপি মরহুম আলহাজ্ব সৈয়দ মাসুদ রেজার মৃত্যুর পর এ আসনে আওয়ামীলীগের কেউ এমপি নির্বাচিত হতে পারেনি।

২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনে এ আসন থেকে এমপি নির্বাচিত হন চার দলীয় জোট প্রার্থী আবুল হোসেন খান। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম নাসরিন জাহান রতনা এমপি এ আসনে জাতীয় পার্টির একমাত্র এমপি প্রার্থী। এ আসনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য মেজর জেনারেল অবঃ আবদুল হাফিজ মল্লিক, যদিও বয়সের ভারে অনেকটাই নিস্তেজ তিনি, দলীয় নেতা কর্মীদের সঙ্গেও তেমন আত্মরিকতা নেই এই প্রবীণ নেতা ও আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম ও সাবেক সেনা কর্তার!

তবে প্রজন্মের চিরতরুণ বলে চেনা বুয়েট ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি, আওয়ামীলীগ কেন্দ্রিয় উপ-কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক ও ইঞ্জিনিয়ারিং ইউস্টিটিউটের সহ-সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল হক মঞ্জু দুই দেলের মাঝে জনপ্রিয়তায় সবার শীর্ষে রয়েছেন বলে অনুসন্ধানে জানা গেছে, তার সাথে গত কয়েক বছর ধরে উপজেলা আওয়ামীলীগ তৃনমূল থেকে সকল স্থরের নেতাকর্মীদের সাথে বেশ সখ্যতা এবং জনগণ ও তার আচরনে আকৃষ্ট। বিগত কয়েক বছরে ইন্জিনিয়ার মঞ্জুরুল হক উপজেলার সকল শ্রেণীর জনমানুষ সহ সকল এলাকায় বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মিয় অনুষ্ঠানে আওয়ামীলীগে এক মাত্র প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিথ ছিলেন!

উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি শামসুল আলম চুন্নু, যিনি দানবীর হিসেবে জন মানুষের কাছে পরিচিত ছিলেন, তিনি তার বিতর্কিত কিছু কর্মকান্ডের কারণে দলীয় নেতাদের কাছে চরম অপ্রিয় হিসেবে এখন পরিচিত। জেলা পরিষদের সদস্য প্রয়াত এমপি আলহাজ্ব সৈয়দ মাসুদ রেজার সহধর্মীনি আইরিন রেজা, শিল্পপতি ও আওয়ামীলীগ নেতা ফারুক আলম তালুকদার ও বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ডক্টর মোয়াজ্জেম হোসেন মাতুব্বর আমিনুল।

বিএনপির সম্ভ্যব্য এমপি প্রার্থী হিসেবে প্রচারনা চালাচ্ছেন সাবেক এমপি ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন খান, বিগত দিনে তার অনেক দুর্নীতি ও বিতর্কিত অনেক কাজের জন্য এখন মাঠে অনেকটাই জন বিচ্ছিন্ন, দলীয় নেতাকর্মী দের নিকট ও তিনি অপ্রিয় হিসেবে খ্যাত। উপজেলা বিএনপি নেতা, বিশিষ্ট শিল্পপতি ও দানবীর আবদুস শুকুর বাচ্চু নেগাবান, কেন্দ্রীয় যুবদলের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক লায়ন নুরুল ইসলাম খান মাসুদ ও মুক্তিযোদ্ধ প্রজন্ম দলের সাধারণ সম্পাদক কেএম কামরুজ্জামান নান্নু।

সব দলের প্রার্থীরা তাদের মনোনয়ন বাগিয়ে নিতে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয়ভাবে শুরু করেছেন ব্যাপক লবিং-তদবীর। উপজেলাবাসী দেখার অপেক্ষায় আছেন শেষ মুহুর্তে বাকেরগঞ্জ-৬ আসনে কে হবেন নৌকা-লাঙ্গল-ধানের শীষের প্রার্থী।

 

 

বাকেরগঞ্জে আওয়ামীলীগের বয়সের ভারে নুয়ে পরা নেতৃত্বের মাঝে উজ্জিবীত তরুণ নেতৃত্বদানে ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জু ‘ই একমাত্র ভরসা।

নিজস্ব প্রিতেবেদক, বরিশাল

বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে আওয়ামীলীগের মনোনয়নে জনমত জরীপে সকলকে ছাপিয়ে এগিয়ে ইঞ্জি: মঞ্জুরুল হক  (মঞ্জু ) ।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে আওয়ামীলীগ-বিএনপির মনোনয়ন পেতে একাধিক প্রার্থী দৌড়ঝাঁপ শুরু করলেও প্রতিদ্বন্দ্বী নেই জাপার কোন প্রার্থী। নির্বাচনকে সামনে রেখে বাকেরগঞ্জ-৬ আসনটি নিয়ে দলীয় নেতা-কর্মীসহ সাধারণ মানুষ রাজনৈতিক হিসেব-নিকেশ শুরু করে দিয়েছেন। আওয়ামীলীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন পেতে মনোনয়ন প্রত্যাশীরা ইতিমধ্যেই দৌড়ঝাঁপ শুরু করে দিয়েছেন।বিগত ১ বছর ধরে শুভেচ্ছা পোস্টার ও লিফলেটের আড়ালে শুরু করেছেন প্রচার-প্রচারণা ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে লবিং। নিজের অবস্থান শক্তিশালী করতে গঠন করেছন তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কমিটি। চালিয়ে যাচ্ছেন কর্মী সমাবেশ ও গণসংযোগ।তবে বরিশাল -৬ আসনে আওয়ামীলীগের জন সম্পৃক্ত বর্তমান নেতার খুব অভাব বলে মনে করেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক গন।

 

এ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম নাসরিন জাহান রতনা এমপি গত ৯ বছরে এলাকায় ঘোষনার উন্নয়ন করেছেন বটে আসলে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের সাথে তার যোগাযোগ শুন্যের কোটায়। অবহেলিত এই জনপদের কোন সার্বিক উন্নয়ন হয়নি। গত ৯ম ও ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসন থেকে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পান উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য মেজর জেনারেল অবঃ আবদুল হাফিজ মল্লিক। কিন্তু মহাজোটের আসন ভাগাভাগির প্রশ্নে এ আসনটি জাতীয় পার্টিকে ছেড়ে দিতে হয়। সাবেক এমপি মরহুম আলহাজ্ব সৈয়দ মাসুদ রেজার মৃত্যুর পর এ আসনে আওয়ামীলীগের কেউ এমপি নির্বাচিত হতে পারেনি।
ভোটবিহীন নির্বাচনের প্রার্থী ও বিতর্কিত ব্যক্তিকে নেতা হিসেবে স্থানীয় জনগন চায়না এটা নেতাকর্মীদের বক্তব্যে স্পষ্ট।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির যেহেতু একক ভাবে নির্বাচন করবে সেহেতু আওয়ামীলীগের প্রার্থী নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে জটিলতা।দলের প্রসিডিয়াম সদস্য অবঃ মেজর জেনারেল হাফেজ মল্লিককে অনেকেই ভেবেছিলেন নৌকার কাণ্ডারি হিসেবে বাস্তবে দলের তৃনমূল নেতাকর্মীদের সাথে তার যোগাযোগ নেই বললেই চলে এমনটাই বলেছেন বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের নেতৃস্থানীয় নেতারা।

এছারাও কোন কোন মহল মনে করেন মেজর জেনারেল অবঃ আবদুল হাফিজ মল্লিক, বয়সের ভারে অনেকটাই নিস্তেজ তিনি, দলীয় নেতা কর্মীদের সঙ্গেও তেমন আত্মরিকতা নেই এই প্রবীণ নেতা ও আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম ও সাবেক সেনা কর্তার।

স্থানীয় জনগন ও নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলে সার্বিক খোজ খবরে জানা গেছে- বরিশালে রাজনীতির অঙ্গনে জনপ্রিয় এক ‘আলোচিত’ নাম মুজিব অন্তঃ প্রাণ ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল হক মঞ্জু। এখানকার রাজনীতির আকাশে জ্বল জ্বল করে জ্বলে থাকা ‘তারকা’ এ নেতা স্বল্প সময়ের মধ্যে তার মেধা,মনন,প্রজ্ঞা ও রাজনৈতিক দূরদর্শিতা দিয়ে শুধু বাকেরগঞ্জ নয় গোটা বরিশালে আওয়ামী রাজনীতির ‘আইকনে’ পরিণত হয়েছেন। তিনি একজন উচ্চ শিক্ষিত  প্রকৌশলী, দানশীল ব্যক্তিত্ব,শিক্ষানুরাগী,সমাজসেবী ও সাদা মনের মানুষ হিসেবে সর্বমহলে সুপরিচিত ও সুখ্যাতি অর্জন করেছেন। বর্তমানে আওয়ামীলীগের হাইকমান্ড, গোয়েন্দা তালিকা ও জনগনের জনমত জরীপে সব চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল হক মঞ্জু ।

ছবিঃ ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল হক মঞ্জু

দলের মধ্যে কেউ কেউ বলে থাকেন বাকেরগঞ্জে আওয়ামীলীগের বয়সের ভারে নুয়ে পরা নেতৃত্বের মাঝে উজ্জিবীত নেতৃত্বদানে মঞ্জরুল হকই একমাত্র ভরসা।

সেই হিসেবে বর্তমানে সাংগঠনিক ভাবে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের সাথে সব চেয়ে বেশী সম্পর্ক রয়েছে বুয়েটের ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি, বর্তমানে তিনি ভাইস প্রেসিডেন্ট ,আইইবি, আওয়ামিলিগ  কেন্দ্রিয় উপ-কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক ও ইঞ্জিনিয়ারিং ইউস্টিটিউটের সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল হক মঞ্জু’র সাথে।নিতি নিয়মিত এলাকার সকল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থেকে দলকে মনোবল যুগিয়েছেন বিগত কয়েক বছর ধরে,আগামী সংসদ নির্বাচন নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সেরা ফুল বেছে নেওয়ার বক্তব্যের সাথে মিলিয়ে দেখলে বাকেরগঞ্জের সব চেয়ে ক্লিন ইমেজের প্রার্থী মঞ্জুরুল ইসলাম।

 

তিনি বড় দুই দেলের মাঝে জনপ্রিয়তায় দলমত নির্বেশেষে জনপ্রিয়তায় সকল প্রার্থীর শীর্ষে রয়েছেন বলে স্হানীয়দের মাঝে জরীপে জানা গেছে, তার সাথে গত কয়েক বছর ধরে উপজেলা আওয়ামীলীগ তৃনমূল থেকে সকল স্থরের নেতাকর্মীদের সাথে বেশ সখ্যতা এবং জনগণ ও তার আচরনে আকৃষ্ট। বিগত কয়েক বছরে ইন্জিনিয়ার মঞ্জুরুল হক উপজেলার সকল শ্রেণীর জনমানুষ সহ সকল এলাকায় বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মিয় অনুষ্ঠানে আওয়ামীলীগে এক মাত্র প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিথ ছিলেন । 

উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি শামসুল আলম চুন্নু, যিনি দানবীর হিসেবে জন মানুষের কাছে পরিচিত ছিলেন, তিনি তার বিতর্কিত কিছু কর্মকান্ডের কারণে দলীয় নেতাদের কাছে চরম অপ্রিয় হিসেবে এখন পরিচিত।

এছারাও জেলা পরিষদের সদস্য প্রয়াত এমপি আলহাজ্ব সৈয়দ মাসুদ রেজার সহধর্মীনি আইরিন রেজা, শিল্পপতি ও আওয়ামীলীগ নেতা ফারুক আলম তালুকদার ও বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ডক্টর মোয়াজ্জেম হোসেন মাতুব্বর আমিনুল ও মনোনয়ন প্রত্যাশী বলে জানা গেছে।

সব দলের প্রার্থীরা তাদের মনোনয়ন বাগিয়ে নিতে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয়ভাবে শুরু করেছেন ব্যাপক লবিং-তদবীর।

এই আসনের জনগন দলমত নির্বিশেষে সাবেক বুয়েট ছাত্রলীগ নেতা ও দেশের ইন্জিনিয়ারদের কন্ঠস্বর সদানন্দময়ী ও সদালাপী মন্জুরুল ইসলামকেই দেখার অপেক্ষায় আছেন শেষ মুহুর্তে বাকেরগঞ্জ উপজেলার নৌকার মাঝি হিসেবে।

আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড কর্তৃক তৈরিকৃত মনোনয়ন তালিকার ৩০০ আসনের প্রার্থী তালিকা, দেখে নিন কারা আছেন

অনলাইন ডেস্ক, ঢাকা।

গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর পৃথক রিপোর্ট বিচার-বিশ্লষণপূর্বক আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড ৩০০  আসনে একটি প্রার্থী তালিকা তৈরি করে রেখেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট  একটি সূত্র। সূত্র মতে, নির্বাচনকে সামনে রেখে হাইকমান্ড প্রার্থী তালিকা  তৈরির ক্ষেত্রে শরীক দলগুলোর বর্তমান আসনগুলোর প্রতি দৃষ্টি রেখেছেন। স্বল্পসংখ্যক আসনে প্রার্থী নির্বাচন বাদ রাখা হয়েছে শরীক দলগুলোর কয়েকজন সংসদ সদস্যের কথা মাথায় রেখে। নির্বাচনের প্রাক্কালে তারা মনোনয়নের বিনিময়ে আওয়ামী লীগে যোগদান করবেন বলে জানা যায়।

আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড কর্তৃক তৈরিকৃত মনোনয়ন তালিকাটি এই মুহূর্তে আনুষ্ঠানিকভাবে  প্রকাশ না করলেও শিগগিরই মনোনীত প্রার্থীদের মৌখিকভাবে মাঠে নামার নির্দেশ  দেয়া হবে হাইকমান্ড থেকে। প্রার্থী তালিকাটি যথাসময়ে দলের সংসদীয় বোর্ড  কর্তৃক অনুমোদিত হয়ে আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবে বলেও জানা গেছে। অনিবার্য  কারণ ব্যতীত তালিকায় খুব একটা যোগ-বিয়োগের সম্ভাবনা নেই বলে দাবি করেছে এ  সূত্রটি। সূত্র মতে,”অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা” নেয়ার নীতিগ্রহণ করে আওয়ামী লীগ তার গতি প্রকৃতি নির্ধারণ করছে।

আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নাম ও আসন নিম্নে দেয়া হলো

ঢাকা-১ আব্দুল মান্নান খান, ঢাকা-২ শাহীন আহমেদ, ঢাকা-৩ নসরুল হামিদ বীপু,  ঢাকা-৪ ডঃ আওলাদ হোসেন, ঢাকা-৫ মশিউর রহমান সজল, ঢাকা-৬ শাহে আলম মুরাদ,  ঢাকা-৭ ডাঃ মোস্তফা জালাল মহিউদ্দীন, ঢাকা-৮ ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট, ঢাকা-৯  মোজাফফর হোসেন পল্টু, ঢাকা-১০ শেখ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা-১১ একেএম  রহমতউল্লাহ, ঢাকা-১২ আসাদুজ্জামান খান কামাল, ঢাকা-১৩ জাহাঙ্গীর কবির নানক,  ঢাকা-১৪ সাবিনা আকতার তুহিন, ঢাকা-১৫ গাজী মেজবাউল হোসেন সাচ্চু, ঢাকা-১৬  এম এ মান্নান কচি, ঢাকা-১৭ মুহম্মদ ফারুক খান, ঢাকা-১৮ অ্যাডঃ সাহারা  খাতুন, ঢাকা-১৯ তৌহিদ জং মুরাদ, ঢাকা-২০ বেনজীর আহমেদ। নারায়ণগঞ্জ-১ গোলাম  দস্তগীর গাজী,নারায়ণগঞ্জ-২ নজরুল ইসলাম বাবু, নারায়ণগঞ্জ-৩ কায়সার হাসনাত,  নারায়ণগঞ্জ-৪ একেএম শামীম ওসমান, নারায়ণগঞ্জ-৫ এস এম আকরাম। গাজীপুর-১ আকম  মোজাম্মেল হক, গাজীপুর-২ জাহিদ আহসান রাসেল,গাজীপুর-৩ জামিল হাসান  দুর্জয়,গাজীপুর-৪ সিমিন হোসেন রিমি,গাজীপুর-৫ আখতারুজ্জামান। মুন্সিগঞ্জ-১  ডাঃ বদিউজ্জামান ডাব্লু, মুন্সিগঞ্জ-২ অ্যাডঃ মাহবুবে আলম, মুন্সিগঞ্জ-৩  মৃণাল কান্তি দাস। কিশোরগঞ্জ-১ সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-২ সোহরাব  উদ্দিন, কিশোরগঞ্জ-৩ ডঃ মিজানুল হক, কিশোরগঞ্জ-৪ রেজওয়ান আহমেদ তৌফিক,  কিশোরগঞ্জ-৫ আফজাল হোসেন, কিশোরগঞ্জ-৬ নাজমুল হাসান পাপন। নরসিংদী-১ নজরুল  ইসলাম, নরসিংদী-২ কামরুল আশরাফ খান, নরসিংদী-৩ সিরাজুল ইসলাম মোল্লা,  নরসিংদী-৪ নুরুল মজিদ হুমাউন, নরসিংদী-৫ রাজিউদ্দীন আহমেদ রাজুর পুত্র।  গোপালগঞ্জ-১ শেখ রেহানা, গোপালগঞ্জ-২ শেখ ফজলুল করিম সেলিম, গোপালগঞ্জ-৩  শেখ হাসিনা। মাদারীপুর-১ নূরে আলম চৌধুরী লিটন, মাদারীপুর-২ শাহজাহান খান,  মাদারীপুর-৩ আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম। শরিয়তপুর-১ বি এম মোজাম্মেল হক,  শরিয়তপুর-২ একেএম এনামুল হক শামীম,শরিয়তপুর-৩ নাহিম রাজ্জাক। ফরিদপুর-১ ডাঃ  দিলীপ রায়, ফরিদপুর-২ আয়মন আকবর চৌধুরী, ফরিদপুর-৩ ইঞ্জিনয়ার খন্দকার  মোশাররফ হোসেন, ফরিদপুর-৪ মজিবর রহমান চৌধুরী। কুমিল্লা-১ ইঞ্জিনিয়ার আব্দুর সবুর , কুমিল্লা-২ সেলিমা আহমেদ, কুমিল্লা-৩ ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুন,  কুমিল্লা-৪ রাজী মোহাম্মদ ফখরুল, কুমিল্লা-৫ আব্দুল মতিন খসরু, কুমিল্লা-৬  আফম বাহাউদ্দীন বাহার, কুমিল্লা-৭ ডাঃ প্রাণ গোপাল দত্ত, কুমিল্লা-৮  অধ্যাপক আলী আশরাফ, কুমিল্লা-৯ তাজুল ইসলাম, কুমিল্লা-১০ আহম মোস্তফা  কামাল, কুমিল্লা-১১ মজিবুল হক মুজিব। চট্রগ্রাম-১ ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ  হোসেন, চট্টগ্রাম-২ চট্টগ্রাম-৩ মাহফুজুর রহমান মিতা, চট্টগ্রাম-৪,  চট্টগ্রাম-৫, চট্টগ্রাম-৬, চট্টগ্রাম-৭ ডঃ হাসান মাহমুদ, চট্টগ্রাম-৮,  চট্টগ্রাম-৯ মহিবুল হাসান নওফেল, চট্টগ্রাম-১০ মঞ্জুরুল আলম, চট্টগ্রাম-১১  আব্দুল লতিফ, চট্টগ্রাম-১২ শামসুল হক চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১৩ সাইফুজ্জামান  চৌধুরী জাবেদ, চট্টগ্রাম-১৪ নজরুল ইসলাম চৌধুরী। চাঁদপুর-১ গোলাম হোসেন,  চাঁদপুর-২ মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, চাঁদপুর-৩ সুজিৎ রায় নন্দী,  চাঁদপুর-৪ শামসুল হক ভুঁইয়া, চাঁদপুর-৫ রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম।

দিনাজপুর-১ মনোরঞ্জণ শীল গোপাল, দিনাজপুর-২ খালিদ মাহমুূদ চৌধুরী,  দিনাজপুর-৩ ইকবালুর রহিম, দিনাজপুর-৪ আবুল হাসান মাহমুদ আলী, দিনাজপুর-৫  মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার, দিনাজপুর-৬ শিবলী সাদিক। ঠাকুরগাঁও-১ রমেশ চন্দ্র  সেন, ঠাকুরগাঁও-২ মাজহারুল ইসলাম সুজন, ঠাকুটগাঁও-৩। নীলফামারী-১  আফতাবউদ্দিন সরকার, নীলফামারী-২ আসাদুজ্জামান নূর, নীলফামারী-৩ অধ্যাপক  গোলাম মোস্তফা, নীলফামারী-৪ আমেনা কোহিনুর আলম। লালমনিরহাট-১ মোতাহার  হোসেন, লালমনিরহাট-২ নুরুজ্জামান আহমেদ, লালমনিরহাট-৩ আবু সালেহ সাইদ  দুলাল। রংপুর-১ রংপুর-২ আহসানুল হক চৌধুরী ডিউক, রংপুর-৩ আনোয়ারুল ইসলাম,  রংপুর-৪ টিপু মন্সী, রংপুর-৫ এইচ এন আশিকুর রহমান, রংপুর-৬ সজীব ওয়াজেদ জয়।  কুড়িগ্রাম-১, কুড়িগ্রাম-২ জাফর আলী, কুড়িগ্রাম-৩ শওকত আলী বীরবিক্রম,  কুড়িগ্রাম-৪ জাকির হোসেন। গাইবান্ধা -১ গোলাম মোস্তফা আহমেদ, গাইবান্ধা-২  সৈয়দ শামস উল আলম হীরা, গাইবান্ধা-৩ ডাঃ ইউনুস আলী সরকার, গাইবান্ধা-৪ আবুল  কালাম আজাদ, গাইবান্ধা-৫ মাহমুদ হোসেন রিপন। রাজশাহী-১ মতিউর রহমান,  রাজশাহী-২ আব্দুল খালেক, রাজশাহী-৩ আয়েন উদ্দীন, রাজশাহী-৪ এনামুল হক,  রাজশাহী-৫ এম এ ওয়াদুদ দারা, রাজশাহী-৬ শাহরিয়ার আলম। নাটোর-১ আবুল কালাম,  নাটোর-২ শফিকুল ইসলাম শিমুল, নাটোর-৩ জুনায়েদ আহম্মেদ পলক। পাবনা-১ অধ্যাপক  আবু সাইয়িদ, পাবনা-২ আজিজুল হক আরজু, পাবনা-৩ মকবুল হোসেন, পাবনা-৪ গোলাম  ফারুক প্রিন্স। নওগাঁ-১ সাধন চন্দ্র মজুমদার, নওগাঁ-২ শহীদুজ্জামান সরকার,  নওগাঁ-৩ ছলিম উদ্দিন, নওগাঁ-৪ ইমাজ উদ্দীন প্রামাণিক, নওগাঁ-৫ ব্যারিস্টার  নিজামউদ্দীন জলিল জন, নওগাঁ-৬ ইসরাফিল আলম। টাঙ্গাইল-১ ডঃ আব্দুর রাজ্জাক,  টাঙ্গাইল-২ খন্দকার মশিউজ্জামান রোমেল, টাঙ্গাইল-৩ সৈয়দ আবু ইউসুফ,  টাঙ্গাইল-৪ সোহেল হাজারী, টাঙ্গাইল-৫ ছানোয়ার হোসেন, টাঙ্গাইল-৬ খন্দকার এম  এ বাতেন, টাঙ্গাইল-৭ একাব্বর হোসেন ও টাঙ্গাইল-৮ অনুপম শাহজাহান জয়।  মানিকগঞ্জ-১ আনোয়ারুল হক, মানিকগঞ্জ-২ মমতাজ বেগম, মানিকগঞ্জ-৩ জাহিদ মালেক  স্বপন। সিরাজগঞ্জ-১ মোহাম্মদ নাসিম, সিরাজগঞ্জ-২ হাবিবে মিল্লাত,  সিরাজগঞ্জ-৩, সিরাজগঞ্জ-৪ তানভীর ইমাম, সিরাজগঞ্জ-৫ আব্দুল মজিদ মন্ডল ও  সিরাজগঞ্জ-৬ হাসিবুর রহমান স্বপন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ গোলাম রাব্বানী,  চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ জিয়াউর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আব্দুল ওয়াদুদ বিশ্বাস।  নরসিংদী-১ নজরুল ইসলাম, নরসিংদী-২ কামরুল আশরাফ খান, নরসিংদী-৩ সিরাজুল  ইসলাম মোল্লা, নরসিংদী-৪ নুরুল মজিদ হুমায়ুন ও নরসিংদী-৫ রাজি উদ্দীন আহমেদ  রাজু তনয়। বি বাড়িয়া-১ এটিএম মনিরুজ্জামান সরকার, বিবাড়িয়া-২ বি বাড়িয়া-৩  উবায়দুল মোক্তাদির চৌধুরী, বি বাড়িয়া-৪ ব্যারিস্টার আনিসুল হক, বি  বাড়িয়া-৫, বি বাড়িয়া-৬ মহিউদ্দীন আহমেদ মহি। সিলেট-১ ডঃ আবুল মোমেন,  সিলেট-২ শফিকুর রহমান চৌধুরী, সিলেট-৩ মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী কয়েস,  সিলেট-৪ ইমরান আহমেদ, সিলেট-৫ মাশুক উদ্দীন, সিলেট-৬ নুরুল ইসলাম নাহিদ,  হবিগঞ্জ-১ আমাতুল কিবরিয়া চৌধুরী কেয়া, হবিগঞ্জ-২ আব্দুল মজিদ খান,  হবিগঞ্জ-৩ । সুনামগঞ্জ-১ মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, সুনামগঞ্জ-২ জয়া সেন গুপ্তা,  সুনামগঞ্জ-৩ আজিজ উস সামাদ ডন, সুনামগঞ্জ-৪ পীর ফজলুর রহমান, সুনামগঞ্জ-৫  মহিবুর রহমান মানিক। মৌলভীবাজার-১ আব্দুল মতিন, মৌলভীবাজার-২,  মৌলভীবাজার-৩, মৌলভীবাজার-৪ উপাধ্য আব্দুস শহীদ।

নোয়াখালী-১ এইচ এম ইব্রাহিম, নোয়াখালী-২ মোরশেদ আলম, নোয়াখালী-৩  মামুনুর রশীদ কিরণ, নোয়াখালী-একরামুল করিম চৌধুরী, নোয়াখালী-৫ ওবায়দুল  কাদের, নোয়াখালী-৬ আয়েশা সিদ্দিকী। লক্ষ্মীপুর-১ আবদুল্লাহ, লক্ষ্মীপুর-২  মোহাম্মদ নোমান, লক্ষ্মীপুর-৩ শাহজাহান কামাল, লক্ষ্মীপুর-৪। ফেনী-১  আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, ফেনী-২ নিজামউদ্দীন হাজারী, ফেনী-৩ সাইফুদ্দীন  নাসির। বান্দরবান- বীর বাহাদুর ও রাঙামাটিঃ দীপঙ্কর তালুকদার। জয়পুরহাট-১  শামসুল আলম দুদু জয়পুরহাট-২ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন।

বরিশাল-১ আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ, বরিশাল- ২ গোলাম ফারুক, বরিশাল-৩,  বরিশাল-৪ পঙ্কজ দেবনাথ, বরিশাল-৫ জেবুন্নেছা হক, বরিশাল-৬ ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল হক (মঞ্জু) । পটুয়াখালী-১ শাজাহান মিয়া,পটুয়াখালী-২ আসম ফিরোজ,  পটুয়াখালী-৩ আখম জাহাঙ্গীর হোসাইন, পটুয়াখালী-৪ মাহবুবুর রহমান তালুকদার।  বরগুণা-১ ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু, বরগুনা-২ শওকত হাছানুর রহমান। ঝালকাঠি-১  মনিরুজ্জামান মনির, ঝালকাঠি-২ আমির হোসেন আমু। ভোলা-১ তোফায়েল আহমেদ,  ভোলা-২ আলী আজম মুকুল, ভোলা-৩ নুরুন্ববী চৌধুরী শাওন, ভোলা-৪ আব্দুল্লাহ আল  জ্যাকব। পিরোজপুর-১ অ্যাডঃ রেজাউল করিম, পিরোজপুর-২ শাহে আলম, পিরোজপুর-৩  ইসহাক আলী খান পান্না। শেরপুর-১ আতিয়ার রহমান আতিক, শেরপুর-২ বেগম মতিয়া  চৌধুরী, শেরপুর-৩ ফজলুল হক। ময়মনসিংহ-১ জুয়েল আরেং, ময়মনসিংহ-২ হায়াতুর  রহমান খান,  ময়মনসিংহ-৪ আব্দুস ছাত্তার, ময়মনসিংহ-৫ কে এম খালিদ,  ময়মনসিংহ-৬ মোসলেম উদ্দীন, ময়মনসিংহ-৭ এম এ হান্নান, ময়মনসিংহ-৮,  ময়মনসিংহ-৯ আনোয়ার আবেদীন তুহিন, ময়মনসিংহ-১০ ফাহমী গোলান্দাজ বাবেল।  নেত্রকোনা-১ মোশতাক  আহমেদ রুহী,  নেত্রকোনা-৩ ইত্তেকার তালুকদার,  নেত্রকোনা-৪ রেবেকা মোমিন। যশোর-১ শেখ আফিল উদ্দীন, যশোর-২ মনিরুল ইসলাম,  যশোর-৩ কাজী নাবিল আহমেদ, যশোর-৪, যশোর-৫ স্বপন ভট্টাচার্য, যশোর-৬।  খুলনা-১ পঞ্চানন বিশ্বাস, খুলনা-২ মিজানুর রহমান, খুলনা-৩ মন্নুজান  সুফিয়ান, খুলনা-৪ সালাম মুরশিদী  , খুলনা-৫ নারায়ণ চন্দ্র চন্দ।  রাজবাড়ি-১ কাজী কেরামত আলী, রাজবাড়ী-২ জিল্লুল হাকিম। সাতক্ষীরা-১ শেখ  মুজিবুর রহমান, সাতক্ষীরা-২ মীর মোশতাক আহমেদ রবি, সাতক্ষীরা-৩ অধ্যাপক ডাঃ  তআফম রুহুল হক, সাতক্ষীরা-৪ এসএম জগলুল হায়দার। মাগুরা-১ সাইফুজ্জামান  শেখর, মাগুরা-২ বীরেন শিকদার। নড়াইল-১ কবিরুল হক মুক্তি, নড়াইল-২ শেখ  হাসিনা। বাগেরহাট-১ শেখ হেলাল উদ্দীন, বাগেরহাট-২ বাগেরহাট-৩ তালুকদার  আব্দুল খালেক বাগেরহাট-৪ ডাঃ মোজাম্মেল হোসেন .

দিনাজপুর-১ মনোরঞ্জণ শীল গোপাল, দিনাজপুর-২ খালিদ মাহমুদ চৌধুরী,  দিনাজপুর-৩ ইকবালুর রহিম, দিনাজপুর-৪ আবুল হাসান মাহমুদ আলী, দিনাজপুর-৫  মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার, দিনাজপুর-৬ শিবলী সাদিক। ঠাকুরগাঁও-১ রমেশ চন্দ্র  সেন, ঠাকুরগাঁও-২ মাজহারুল ইসলাম সুজন, ঠাকুটগাঁও-৩। নীলফামারী-১  আফতাবউদ্দিন সরকার, নীলফামারী-২ আসাদুজ্জামান নূর, নীলফামারী-৩ অধ্যাপক  গোলাম মোস্তফা, নীলফামারী-৪ আমেনা কোহিনুর আলম। লালমনিরহাট-১ মোতাহার  হোসেন, লালমনিরহাট-২ নুরুজ্জামান আহমেদ, লালমনিরহাট-৩ আবু সালেহ সাইদ  দুলাল। রংপুর-১ রংপুর-২ আহসানুল হক চৌধুরী ডিউক, রংপুর-৩ আনোয়ারুল ইসলাম,  রংপুর-৪ টিপু মন্সী, রংপুর-৫ এইচ এন আশিকুর রহমান, রংপুর-৬ সজীব ওয়াজেদ জয়।  কুড়িগ্রাম-১, কুড়িগ্রাম-২ জাফর আলী, কুড়িগ্রাম-৩ শওকত আলী বীরবিক্রম,  কুড়িগ্রাম-৪ জাকির হোসেন। গাইবান্ধা -১ গোলাম মোস্তফা আহমেদ, গাইবান্ধা-২  সৈয়দ শামস উল আলম হীরা, গাইবান্ধা-৩ ডাঃ ইউনুস আলী সরকার, গাইবান্ধা-৪ আবুল  কালাম আজাদ, গাইবান্ধা-৫ মাহমুদ হোসেন রিপন। রাজশাহী-১ মতিউর রহমান,  রাজশাহী-২ আব্দুল খালেক, রাজশাহী-৩ আয়েন উদ্দীন, রাজশাহী-৪ এনামুল হক,  রাজশাহী-৫ এম এ ওয়াদুদ দারা, রাজশাহী-৬ শাহরিয়ার আলম। নাটোর-১ আবুল কালাম,  নাটোর-২ শফিকুল ইসলাম শিমুল, নাটোর-৩ জুনায়েদ আহম্মেদ পলক। পাবনা-১ অধ্যাপক  আবু সাইয়িদ, পাবনা-২ আজিজুল হক আরজু, পাবনা-৩ মকবুল হোসেন, পাবনা-৪ গোলাম  ফারুক প্রিন্স। নওগাঁ-১ সাধন চন্দ্র মজুমদার, নওগাঁ-২ শহীদুজ্জামান সরকার,  নওগাঁ-৩ ছলিম উদ্দিন, নওগাঁ-৪ ইমাজ উদ্দীন প্রামাণিক, নওগাঁ-৫ ব্যারিস্টার  নিজামউদ্দীন জলিল জন, নওগাঁ-৬ ইসরাফিল আলম। টাঙ্গাইল-১ ডঃ আব্দুর রাজ্জাক,  টাঙ্গাইল-২ খন্দকার মশিউজ্জামান রোমেল, টাঙ্গাইল-৩ সৈয়দ আবু ইউসুফ,  টাঙ্গাইল-৪ সোহেল হাজারী, টাঙ্গাইল-৫ ছানোয়ার হোসেন, টাঙ্গাইল-৬ খন্দকার এম  এ বাতেন, টাঙ্গাইল-৭ একাব্বর হোসেন ও টাঙ্গাইল-৮ ইঞ্জিনিয়ার আতাউল মাহমুদ ।  মানিকগঞ্জ-১ আনোয়ারুল হক, মানিকগঞ্জ-২ মমতাজ বেগম, মানিকগঞ্জ-৩ জাহিদ মালেক  স্বপন। সিরাজগঞ্জ-১ মোহাম্মদ নাসিম, সিরাজগঞ্জ-২ হাবিবে মিল্লাত,  সিরাজগঞ্জ-৩, সিরাজগঞ্জ-৪ তানভীর ইমাম, সিরাজগঞ্জ-৫ আব্দুল মজিদ মন্ডল ও  সিরাজগঞ্জ-৬ হাসিবুর রহমান স্বপন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ গোলাম রাব্বানী,  চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ জিয়াউর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আব্দুল ওয়াদুদ বিশ্বাস।  নরসিংদী-১ নজরুল ইসলাম, নরসিংদী-২ কামরুল আশরাফ খান, নরসিংদী-৩ সিরাজুল  ইসলাম মোল্লা, নরসিংদী-৪ নুরুল মজিদ হুমায়ুন ও নরসিংদী-৫ রাজি উদ্দীন আহমেদ  রাজু তনয়। বি বাড়িয়া-১ এটিএম মনিরুজ্জামান সরকার, বিবাড়িয়া-২ বি বাড়িয়া-৩  উবায়দুল মোক্তাদির চৌধুরী, বি বাড়িয়া-৪ ব্যারিস্টার আনিসুল হক, বি  বাড়িয়া-৫, বি বাড়িয়া-৬ মহিউদ্দীন আহমেদ মহি। সিলেট-১ ডঃ আবুল মোমেন,  সিলেট-২ শফিকুর রহমান চৌধুরী, সিলেট-৩ মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী কয়েস,  সিলেট-৪ ইমরান আহমেদ, সিলেট-৫ মাশুক উদ্দীন, সিলেট-৬ নুরুল ইসলাম নাহিদ,  হবিগঞ্জ-১ আমাতুল কিবরিয়া চৌধুরী কেয়া, হবিগঞ্জ-২ আব্দুল মজিদ খান,  হবিগঞ্জ-৩ । সুনামগঞ্জ-১ মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, সুনামগঞ্জ-২ জয়া সেন গুপ্তা,  সুনামগঞ্জ-৩ আজিজ উস সামাদ ডন, সুনামগঞ্জ-৪ পীর ফজলুর রহমান, সুনামগঞ্জ-৫  মহিবুর রহমান মানিক। মৌলভীবাজার-১ আব্দুল মতিন, মৌলভীবাজার-২,  মৌলভীবাজার-৩, মৌলভীবাজার-৪ উপাধ্য আব্দুস শহীদ।

বরিশাল-১ আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ, বরিশাল- ২ গোলাম ফারুক, বরিশাল-৩  অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন , বরিশাল-৪ পঙ্কজ দেবনাথ, বরিশাল-৫ জেবুন্নেছা হিরন  , বরিশাল-৬ ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল হক (মঞ্জু) ।

পটুয়াখালী-১ শাজাহান মিয়া, পটুয়াখালী-২ আসম ফিরোজ,পটুয়াখালী-৩ আখম জাহাঙ্গীর হোসাইন, পটুয়াখালী-৪ মাহবুবুর রহমান তালুকদার।

বরগুণা-১ ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু, বরগুনা-২ শওকত হাছানুর রহমান।

ঝালকাঠি-১ মনিরুজ্জামান মনির, ঝালকাঠি-২ আমির হোসেন আমু।

ভোলা-১ তোফায়েল আহমেদ, ভোলা-২ আলী আজম মুকুল, ভোলা-৩ নুরুন্ববী চৌধুরী শাওন ও ভোলা-৪ আব্দুল্লাহ আল জ্যাকব।

পিরোজপুর-১ অ্যাডঃ রেজাউল করিম, ও পিরোজপুর-৩ ইসহাক আলী খান পান্না।

শেরপুর-১ আতিয়ার রহমান আতিক, শেরপুর-২ বেগম মতিয়া চৌধুরী, শেরপুর-৩ ফজলুল হক।

যশোর-১ শেখ আফিল উদ্দীন, যশোর-২ মনিরুল ইসলাম, যশোর-৩ কাজী নাবিল আহমেদ, যশোর-৪, যশোর-৫ স্বপন ভট্টাচার্য, যশোর-৬।

খুলনা-১ পঞ্চানন বিশ্বাস, খুলনা-২ মিজানুর রহমান, খুলনা-৩ মন্নুজান  সুফিয়ান, খুলনা-৪ মোস্তফা রশিদী সূজা, খুলনা-৫ নারায়ণ চন্দ্র চন্দ।

সাতক্ষীরা-১ সাতক্ষীরা-২ মীর মোশতাক আহমেদ রবি, সাতক্ষীরা-৩ অধ্যাপক ডাঃ আফম রুহুল হক, সাতক্ষীরা-৪ এসএম জগলুল হায়দার।

মাগুরা-১ মাগুরা-২ বীরেন শিকদার।

নড়াইল-১ কবিরুল হক মুক্তি, নড়াইল-২ শেখ হাসিনা। বাগেরহাট-১ শেখ হেলাল  উদ্দীন, বাগেরহাট-২ বাগেরহাট-৩ তালুকদার আব্দুল খালেক বাগেরহাট-৪ ডাঃ  মোজ্জামেল হোসেন।

উল্লেখ্য,সাধারণ নির্বাচন সামনে রেখে জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনেই প্রার্থী রাখছে আওয়ামী লীগ। সংশ্লিষ্ট নেতৃত্বস্থানীয় সূত্র এই পূর্বাভাস দিয়ে জানিয়েছে, নির্বাচন নিয়ে বিএনপি’র ভবিষ্যৎ নীতিনির্ধারণী কুট-কৌশলের ওপরই নির্ভর করছে  আওয়ামী লীগের প্রার্থীতার বিষয়টি। এ জন্য বিএনপি’র প্রতি ক্ষমতাসীন দলটির সর্তক পর্যবেক্ষণও রয়েছে। বিএনপি এককভাবে নির্বাচন করলে আওয়ামী লীগকেও এককভাবে নির্বাচনী লড়াইয়ে দেখা যেতে পারে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আশাপ্রকাশ করে বলেছেন, বিএনপি আবারও নির্বাচনী অংকে ভুল করবে না। তারা বিগত নির্বাচন বর্জন করে যে  ভুল করেছে সেথেকে শিক্ষা গ্রহণ করেছে বলে মনে হচ্ছে তাদের কথাবার্তায়।  সংসদীয় মনোয়ন বোর্ডের সদস্য সচিব ও সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল  কাদের বলেন, আগামী নির্বাচন হবে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক এবং তা কেবল বিএনপির অংশগ্রহণের মধ্য দিয়েই হতে পারে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোন বিকল্প পথ নেই, শেখ হাসিনা সরকারের অধীনেই বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিতে হবে, এবং তারা নেবেও। বিএনপি নির্বাচন  বর্জন করবে এরকম আশঙ্কা আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারক মহলে নেই। তারপরেও  ‘যদি’র প্রশ্নে একটা বিকল্প চিন্তা মাথায় রাখছে আওয়ামী লীগ।

বিএনপি-জামায়াত  নির্বাচন বর্জন করলে আওয়ামী লীগ বর্তমান শরীক দলগুলোকে নিজ নিজ দলীয়  প্রতীকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার পরামর্শ দেবে। শরীক দল জাতীয়  পার্টির ন্যায় অপর ১৪টি দলের সঙ্গে আসনভিত্তিক আঁতাত গড়ে তুলবে।

বিগত নির্বাচনে ১৫৩টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার যে অজুহাত তার  পুনরাবৃত্তি হতে দেয়া হবে না। জাতীয় পার্টিসহ শরীকরা স্ব স্ব প্রতীক নিয়ে  নির্বাচনে অংশ নিলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ থাকবে  না। নির্ধারিত সময়েই নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা জানান এই দু’নেতা। এছাড়াও  আওয়ামী লীগ মনে করছে, যুদ্ধাপরাধীদের চলমান বিচারকার্যের দিকটি গুরুত্ব  দিয়ে এককভাবেই নির্বাচন করতে পারে বিএনপি। ‘৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারির  নির্বাচনের ন্যায় নির্দিষ্টসংখ্যক আসনে জামায়াতের সঙ্গে পরোক্ষভাবে আঁতাত  করতে পারে দলটি।

ছাত্রনেতা মইন খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের কেন্দ্রীয় সদস্য নির্বাচিত, জেলাবাসীর অভিনন্দন

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ককসবাজার জেলা শাখার উপ ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক পরিচ্ছন্ন প্রতিভাবান ছাত্রনেতা মইন উদ্দীন জনিকে খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় অাহবায়ক কমিঠির সদস্য নির্বাচিত করায় অভিনন্দন জানিয়েছে ককসবাজারের মুক্তিযোদ্ধের স্বপক্ষের সকল রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সচেতন মহল ও জেলাবাসী

তিনি রাজনীতির পাশাপাশি একজন মেধাবী ছাত্রনেতা, সমাজ সংস্কারক, সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী।

মইন উদ্দীন জনি বলেন- অামাকে খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ এর কেন্দ্রীয় অাহবায়ক কমিটির সদস্য নির্বাচিত করায় অামি ধন্যবাদ জানাতে চাই অাহবায়ক প্রিয় ভাই মো: শহীদুল ইসলাম ও সদস্য সচিব কাজী মাহতাব উদ্দীন তৌফিক ভাইকে।

তিনি জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা বিনির্মাণে সারা বাংলার সকল মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের সমন্নয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে দেশের উন্নয়নে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি তিনি সমৃদ্ধশীল বাংলাদেশ গঠনে কাজ করার নিমিত্তে সকলের দোয়া কামনা করেন।

ককসবাজার জেলার কৃতি সন্তান মইন উদ্দীন জনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কক্সবাজার জেলা শাখার উপ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক, এফডিএ এর সাধারণ সম্পাদক, জনপ্রিয় অনলাইন সংবাদ মাধ্যম ককসবাজার ম্যাসেজ ডট কম সিবিএমএর ব্যবস্থাপনা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম নুরুল হক (বীরপ্রতীক) এর সর্বকনিষ্ঠ সুযোগ্য সন্তান।

এদিকে খেতাবপাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ আহবায়ক কমিটির সদস্য নির্বাচিত করায় অভিনন্দন জানিয়েছেন ককসবাজার ম্যাসেজ ডট কম সিবিএমের সম্পাদক ও প্রকাশক- অারিফুল্লাহ কাউছার নূরী, নির্বাহী সম্পাদক একরামুল হক সহ ককসবাজার জেলার বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা।

“আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী আলোচিত নেতাদের অন্যতম ৬ জন তরুণ নেতা”

নিউজ ডেস্ক,রাজনীতির হাওয়া.
 একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে মাঠপর্যায়ে তোড়জোড় শুরু হয়েছে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মাঝে। এ নির্বাচনকে সামনে রেখে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী নেতাকর্মীরা। এলাকায় ব্যানার, পোষ্টার টাঙ্গানোর পাশাপাশি জনসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন সম্ভাব্য তরুন ও সাবেক ছাত্রনেতাদের বড় একটি অংশ। এদিকে ঐতিহ্যবাহী এ দলটির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের প্রবীণ নেতারা ইতিমধ্যে আগামী জাতীয় নির্বাচনে দু:সময়ের পরীক্ষিত ও ক্লিন ইমেজের অপেক্ষাকৃত তরুণ মুখদের মনোনয়নে প্রাধান্য দেয়ার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই সিদ্ধান্তের পরে আগামী নির্বাচনে মনোনয়নপ্রত্যাশী তরুন নেতারা দলীয় মনোনয়ন পেতে জোর তৎপরতা শুরু করেছেন।আওয়ামী লীগ হাইকমান্ড সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন সংসদ নির্বাচনে দলের প্রার্থী তালিকায় পুরাতনদের পাশাপাশি কমপক্ষে ১০০ তরুণ প্রার্থীর পরিবর্তন আসতে পারে।দশম জাতীয় নির্বাচন বিশেষ পরিস্থিতিতে হওয়ায় এ নির্বাচনে ৫০টি আসনে প্রার্থী পরিবর্তন হয়। কিন্তু এবার প্রায় ১০০ আসন থেকেও বেশি আসনে প্রার্থী পরিবর্তন হবার জোর সম্ভাবনা। যার বেশির ভাগই সাবেক ছাত্রনেতা, বর্তমান যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ, অবসরপ্রাপ্ত সেনাকর্মকর্তা, বিভিন্ন আমলা, ব্যবসায়ীরাও। তিনি আরো জানান, বেশ কিছু সংসদ সদস্য রয়েছেন, যারা দলীয় মনোনয়ন পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন কিন্তু এলাকায় তাঁর জনপ্রিয়তা হ্রাস পেয়েছে ও তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সাথে তেমন সম্পর্ক নেই এবং যাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে সেখানে আমাদের সাংগঠনিক অবস্থান মজবুত হলেও প্রার্থী পরিবর্তন হবে। এছাড়া বয়সের কারণে যারা বিভিন্ন রোগ-শোকে ভুগছেন, যাদের পরিবর্তে অপেক্ষাকৃত তরুণদের দল মনোনয়ন দেবে।
মনোনয়ন প্রত্যাশী আলোচিত নেতাদের অন্যতম ৬ জন তরুণ নেতা মধ্যে রয়েছেন ছাত্রলীগ এর সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, এনামুল হক শামীম (শরীয়তপুর-২), ছাত্রলীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহকারী একান্ত সচিব সাইফুজ্জামান শিখর (মাগুরা-১), ঢাকা মহানগর যুবলীগ এর বর্তমান সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট ( ঢাকা-৮), ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ও পটুয়াখালী জেলা আওয়ামীলীগ এর অন্যতম সদস্য, মৃত্যুঞ্জয়ী জোবায়দুল হক রাসেল (পটুয়াখালী -২) , কেরাণীগঞ্জ এর উপজেলা চেয়ারম্যান ও দেশের শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত শাহীন আহম্মেদ (ঢাকা-২),এবং বুয়েট ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি,বর্তমান বাংলাদেশের ইঞ্জিনিয়ারদের নির্বাচিত নেতা ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল হক (মঞ্জু) বরিশাল -৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী. 
তারা প্রত্যেকেই আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে নিজ নিজ এলাকায় ব্যাপক প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূলের আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে কাজ করে যাওয়া রাজপথের এই পরীক্ষিত সেনাদের এলাকাবাসীও নিয়েছেন পরম আপন করে নিয়েছেন।
ছাত্র নেতাদের মনোনয়ন নিয়ে বিস্তারিত প্রথম পর্বে থাকছেন ঃ বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ)
বরিশাল -৬ (বাকেরগঞ্জ) আসন থেকে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনয়ন এগিয়ে আছেন । বুয়েট ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি, বুয়েট ছাত্ররাজনীতির পথপ্রদর্শক, যার পথচলা ছাত্রলীগের এবং আওয়ামীলীগের দুঃসময়ের সাহসী পথচলা থেকেই ৮০-৯০ শতকের রাজপথের লড়াকু সৈনিক বর্তমান বাংলাদেশের ইঞ্জিনিয়ারদের নির্বাচিত নেতাইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল হক (মঞ্জু)।যিনি ইনিস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি), ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে সম্মানি দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তার হাত ধরেই বাংলাদেশের ইঞ্জিনিয়ারিং উন্নয়ন এর বহিঃপ্রকাশ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং মিডিয়ায় প্রকাশ পায়৷ তিনি একাডেমিক এবং আন্তর্জাতিক এফেয়ার্স এর ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রকৌশলী সমাজকে সেবা দিয়ে আসছেন যাতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভিশন ২১ এবং ৪১ বাস্তবায়ন সফল হয়।
বিগত ইনিস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) নির্বাচনে (২১ ডিসেম্বর, ২০১৭) স্বাধীনতার স্বপক্ষের প্যানেলে Engr. S.M Monjurul Hoque Monju কে ভাইস প্রেসিডেন্ট(একাডেমিক এন্ড ইন্টারন্যাশনাল) হিসেবে মনোনীত করায় বঙ্গবন্ধু কন্যা, বিশ্ব শান্তির অগ্রদূত জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা এর প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন- 
প্রকোশলী সমাজ, একটা পুরো দেশেরসুষ্ঠ সুন্দর অবকাঠামোগত উন্নয়নের রুপরেখা প্রনয়ন করে । আগামী সংসদ নির্বাচনে সবার কাছে দোয়া প্রার্থী, যাতে আমার নির্বাচনী এলাকা বাকেরগঞ্জ তথা সারা বাংলাদেশের প্রকৌশলী খাতকে জননেত্রী শেখ হাছিনার পক্ষ থেকে উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে পারি।

 

    
আসুন জেনে নেই কে এই ইঞ্জিনিয়ার (মঞ্জু),  তার বিস্তারিত: 
বরিশালের সূর্য সন্তান, বাংলাদেশের প্রকৌশলী সমাজের অহংকার, বুয়েট প্রকোশলী পরিবারের গৌরব, বুয়েট ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি, ইন্সটিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্স ,বাংলাদেশ এর সম্মানী সহ -সম্পাদক ,বাংলাদেশ প্রকৌশলী-কৃষক-চিকিৎসক (পকৃচি) এর প্রচার সম্পাদক, বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের সাংগাঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগএর সহ-সম্পাদক , ওয়েস্টজোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোং লিমিটেড এর বোর্ড অব ডিরেক্টর , বুয়েট এলামনাই এর অন্যতম সদস্য। তারুন্যদীপ্ত পরিছন্ন রাজনীতিবিধ , দূর্সময়ের আওয়ামীলীগের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর- ৮০, ৯০ দশকের ছাত্রলীগের রাজপথের সাহসী কান্ডারী , জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাছিনার আস্থাবাজন মেধাবী রাজনীতিবিদ , সাবেক ছাত্রলীগ নেতা, বরিশাল-৬ আসন (বাকেরগঞ্জ) এর কৃতি সন্তান ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল হক (মঞ্জু
Affiliation & Career :ENGR. S.M MONJURUL HOQUE MONJU
B.Sc. Engg. (Mech.), BUET,Fellow Member-7755.
-Vice President (Academic & International Affairs) , IEB HQ
-Ex- President, BUET Chatrolig.
-Ex-Assistant Secretary, Bangladesh Awami League.
– Ex-Honorary Assistant General Secretary (Academic & International Affairs) 2015-2017
– Director, Board of Directors, West Zone Power Distribution Company (WZPDC)
– Working in Washington Accord & International Professional Engineers Alliance Working Group.
– Ex-Director, Board of Directors, Electricity Generation Company of Bangladesh (EGCB)
– Managing Director, 3M (PVT.) Ltd
– CEO, 3M Air Service.
– CEO, Faizah Corporation.
– Member Secretary, Membership Committee, IEB.
– Life Member, Engineers Recreation Centre (ERC).
– Member, Executive Committee, Forum 86, BUET.
– Co-Convener, Private Engineers Welfare Committee, DC, IEB.
– Member-Secretary, Swaniyojito Prokousholi Samity.
– Joint-Convener, Private Engineers Service Rule Committee, IEB.
– Member-Secretary, 54th Convention Voluntary Committee.
– Member, Dhaka Chamber of Commerce & Industries (DCCI).
– Member, Federation of Bangladesh Chamber of Commerce & Industries (FBCCI).
– Member, Greater Barisal Engineers Welfare Association.
– Publicity Secretary, Executive Committee, Peshajibi Samonnay Parishad.
– Ex-Joint Secretary, Ahsanullah Hall Students Union, BUET.
– Ex-Chairman, BGMEA Standing Committee on Power, Gas & Telecom.
– Member, Better Business Forum Infrastructure Sub-Committee Working Group.
– Ex-BGMEA Representative to Energy Regulatory Commission.
– Ex-Co-Chairman, 61th Engineers Day Publicity Committee.
– Member, 52nd IEB Convention Organization Committee.
– Joint-Convener, Publicity Committee, 55th Convention, IEB.
– Council Member in Different Times.
– Actively Participated in PROKRICHI-BCB Movement.
– Involved in Different Co-Curricular & Extra-Curricular Activities in BUET.
– Visited Different Countries